ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা হত্যা: প্রতিবাদ কর্মসূচি স্থগিত, মামলা হয়েছে
![]() |
| সংবাদ সম্মেলনের জন্য ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে ব্যানার টাঙানো হয় | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন |
পাবনার ঈশ্বরদীতে ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্যসচিব ইমরান হোসেন হত্যার বিচার ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পূর্বঘোষিত মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। তবে আজ সোমবার এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। নিহতের বাবা ইমামুল প্রামাণিক এনামুল বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় এই মামলা করেন।
আজ সকালে ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন এবং সামনের সড়কে মানববন্ধন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ‘অনিবার্য কারণ’ দেখিয়ে শেষ মুহূর্তে কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়। এর আগে শনিবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জনি এই কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন।
সকালে সরেজমিনে ঈশ্বরদী বাজার সড়ক ও প্রেসক্লাব এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কর্মসূচিতে অংশ নিতে নারীসহ স্থানীয় নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন। সংবাদ সম্মেলনের জন্য ক্লাবের মিলনায়তনে ব্যানারও টাঙানো হয়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আয়োজকদের পক্ষ থেকে স্থগিতের খবর জানানো হলে বেলা ১১টার দিকে সমবেত নেতা-কর্মীরা এলাকা ত্যাগ করেন।
ঠিক কী কারণে কর্মসূচিটি স্থগিত করা হলো, সে বিষয়ে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের কেউ সরাসরি কথা বলতে চাননি। এমনকি আয়োজক বা দলের দায়িত্বশীল কোনো নেতার পক্ষ থেকেও সংবাদমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলছে। তিনি আরও জানান, আজ নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার সাঁড়া গোপালপুর উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে একটি চায়ের দোকানে বন্ধুদের সঙ্গে বসে ছিলেন ইমরান হোসেন। এ সময় একদল মুখোশধারী দুর্বৃত্ত তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

Comments
Comments