[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

লক্ষ্মীপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৯ শিশু ভর্তি

প্রকাশঃ
অ+ অ-
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শিশুরোগী  | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

লক্ষ্মীপুর জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় হামের লক্ষণ নিয়ে আরও ১৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টা থেকে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসব শিশুকে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে জেলার হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৩০ শিশু।

নতুন ভর্তি হওয়া ১৯ শিশুর মধ্যে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ১৪ জন, রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন এবং রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১ জন রয়েছে। জেলার হাসপাতালগুলোর মধ্যে সদর হাসপাতালেই হামের লক্ষণযুক্ত রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। নতুনদের নিয়ে এই হাসপাতালে বর্তমানে ২১ জন ভর্তি আছে। এরপরই রামগতির অবস্থান, সেখানে ভর্তি আছে ৫ শিশু।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন ভর্তি হওয়া ১৯ শিশুকে বিভিন্ন হাসপাতালের হাম বিচ্ছিন্নকরণ কেন্দ্রে বা বিশেষ কোণায় রাখা হয়েছে। এই শিশুদের নিয়ে গত এক মাসে মোট ভর্তি হয়েছে ৫৮ জন। এর মধ্যে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৭ শিশু।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগই সদর উপজেলার বাসিন্দা। গত ২৪ ঘণ্টার চিত্র অনুযায়ী, ১৯ জনের মধ্যে ১৪ জনই সদর উপজেলার। এছাড়া রামগতিতে ৪ জন ও রায়পুরে ১ জন শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ সংক্রমণের মূল কেন্দ্র হয়ে উঠেছে সদর উপজেলা। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, জেলায় মোট ৫৮ জন সন্দেহজনক রোগীর মধ্যে ৩২ জনই সদরের, যা মোট আক্রান্তের অর্ধেকের বেশি। এছাড়া কমলনগর ও রামগতিতে ৭ জন করে, রামগঞ্জে ৬ জন, রায়পুরে ৪ জন এবং লক্ষ্মীপুর পৌরসভায় ২ জন শনাক্ত হয়েছে।

হাসপাতালে ভর্তি এক শিশুর মা রুবিনা আক্তার বলেন, ‘দুই-তিন দিন ধরে আমার বাচ্চার জ্বর ছিল। পরে শরীরে লালচে দানা উঠতে শুরু করে। প্রথমে সাধারণ জ্বর মনে করেছিলাম, কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখন চিকিৎসকেরা বলছেন হামের লক্ষণ। খুব দুশ্চিন্তায় আছি।’

লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন মোহাম্মদ আবু হাসান শাহীন বলেন, জেলায় হামের লক্ষণ নিয়ে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়লেও পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং অধিকাংশই সুস্থ হয়ে উঠছে।

আবু হাসান শাহীন জানান, যেসব শিশু নিয়মিত টিকার আওতায় আসেনি, তাদের মধ্যেই সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি দেখা যাচ্ছে। তাই অভিভাবকদের প্রতি শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করার এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া সংক্রমণ ঠেকাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন