কুমিল্লায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে স্ত্রীর পর স্বামীর মৃত্যু
| লাশ | প্রতীকী ছবি |
কুমিল্লার দাউদকান্দির পশ্চিম মাইজপাড়া গ্রামে রান্নাঘরের চুলা জ্বালাতে গিয়ে বিস্ফোরণে দগ্ধ স্ত্রীর পর এবার স্বামীও মারা গেছেন। গতকাল বিকেল চারটার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম জেলহক আহমেদ (৩৭)। তাঁর ভগ্নিপতি মোখলেছুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জেলহক কুমিল্লার হোমনা উপজেলার রেহানা মজিদ কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। তিনি বগুড়ার শেরপুরের পালাসুন গ্রামের বাসিন্দা।
এর আগে গত শনিবার সকাল ছয়টার দিকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জেলহক আহমেদের স্ত্রী উম্মে হুমায়ারা (৩০)। ওই দিন রাত ১২টার দিকে বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার বাবুনিয়ামণ্ডলপাতা গ্রামের কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
দগ্ধ হওয়া পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে এই দম্পতির দেড় বছরের মেয়ে জান্নাত হুমায়ারা ও উম্মে হুমায়ারার ফুফু মনোয়ারা বেগম এখনো জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ছয়টার দিকে দাউদকান্দি পৌর সদরের পশ্চিম মাইজপাড়া গ্রামে পিয়ার আলী নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
উম্মে হুমায়ারার বড় ভাই খান জাহান আলী বলেন, তাঁর ছোট বোন গত ২২ জানুয়ারি পিয়ার আলীর তিনতলা ভবনের নিচতলার একটি ইউনিটে ভাড়াটে হিসেবে ওঠেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বলেন, ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে দগ্ধ অবস্থায় নারী-শিশুসহ এক পরিবারের চারজনকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে জেলহক আহমেদের শরীরের ৫৪ শতাংশ, উম্মে হুমায়ারার ৬৫ শতাংশ, জান্নাত হুমায়ারার ৬ শতাংশ এবং মনোয়ারা বেগমের ২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
Comments
Comments