হাদি হত্যায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেশে আনতে কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু হচ্ছে: আইজিপি
![]() |
| পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির নানা পদক্ষেপের কথা জানান। আজ সোমবার দুপুরে | ছবি: পুলিশের সৌজন্যে |
চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং যেকোনো সময় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। একই সঙ্গে মব জাস্টিস বা মব সন্ত্রাসে জড়িত ব্যক্তিদেরও তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
আজ সোমবার পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি এসব কথা বলেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তাঁর প্রথম সংবাদ সম্মেলন।
আইজিপি বলেন, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে। এক্ষেত্রে অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় থাকলেও তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না। এছাড়া পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সড়ক ও মহাসড়কে চাঁদাবাজি ও ডাকাতি ঠেকাতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। পাশাপাশি কিশোর গ্যাং নির্মূলে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, ‘তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক চ্যানেলে কাজ শুরু হয়েছে।’ উল্লেখ্য, গত শনিবার দিবাগত রাতে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে সে দেশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)।
আলী হোসেন ফকির আরও জানান, ‘জুলাই বিপ্লব’কে কেন্দ্র করে কেউ যেন ব্যক্তিগত ফায়দা লুটতে না পারে, সেদিকে পুলিশের কড়া নজর রয়েছে। তিনি থানাগুলোকে ‘জিরো কমপ্লেইন থানা’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন এবং আইনি জটিলতা নিরসনে প্রতিটি থানায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের বিষয়ে আইজিপি জানান, এ বিষয়ে সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Comments
Comments