বিতর্কের মুখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিসি প্রত্যাহার
প্রকাশঃ
| শাহাদাত হোসেন মাসুদ | ছবি: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন থেকে নেওয়া |
চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) শাহাদাত হোসেন মাসুদকে প্রত্যাহার করেছে সরকার। বিতর্কিত কিছু কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষাপটে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
প্রশাসন সূত্র জানায়, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহীদ মিনারে টানানো একটি ব্যানারকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ওই ব্যানারে ভাষা শহীদদের ছবি না দিয়ে জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে ভাষা শহীদদের পরিবার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরেও তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে। বিএনপির নেতারা ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলে শুরু থেকেই তাঁর সমালোচনা করে আসছিলেন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের দাবি, তাঁর দায়িত্বকালেই জেলায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি পদ্মা ট্রিবিউনে ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহারের খবরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ এর সমালোচনা করেছেন।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রশাসনে রদবদল একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। তবে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাকে ঘিরে জেলা প্রশাসককে নিয়ে দপ্তরের ভেতরেও আলোচনা ছিল। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন জেলা প্রশাসক দ্রুত দায়িত্ব নেবেন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলবে।
প্রশাসন সূত্র জানায়, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহীদ মিনারে টানানো একটি ব্যানারকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ওই ব্যানারে ভাষা শহীদদের ছবি না দিয়ে জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে ভাষা শহীদদের পরিবার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরেও তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে। বিএনপির নেতারা ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলে শুরু থেকেই তাঁর সমালোচনা করে আসছিলেন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের দাবি, তাঁর দায়িত্বকালেই জেলায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি পদ্মা ট্রিবিউনে ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহারের খবরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ এর সমালোচনা করেছেন।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রশাসনে রদবদল একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। তবে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাকে ঘিরে জেলা প্রশাসককে নিয়ে দপ্তরের ভেতরেও আলোচনা ছিল। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন জেলা প্রশাসক দ্রুত দায়িত্ব নেবেন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলবে।
Comments
Comments