ভোলায় রাতে স্পিডবোট ডুবি, এক পুলিশ সদস্য নিখোঁজ
![]() |
| ভোলায় মেঘনা নদী | ফাইল ছবি |
ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কায় মৎস্য বিভাগের অভিযানে থাকা একটি স্পিডবোট ডুবির ঘটনা ঘটেছে। স্পিডবোটে থাকা সাতজনের মধ্যে ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে, তবে একজন পুলিশ সদস্য এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে লালমোহন উপজেলার মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে। নিখোঁজ পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তিনি লালমোহন থানার আওতাধীন মঙ্গল শিকদার পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের কনস্টেবল। পুলিশ, নৌ পুলিশ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় কোস্টগার্ড যৌথভাবে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
লালমোহন মৎস্য বিভাগ ও পুলিশ জানায়, জাটকা সংরক্ষণের জন্য মেঘনা নদী ও তেঁতুলিয়া এলাকায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে বুধবার রাত আটটার দিকে মঙ্গল শিকদার ফাঁড়ির পুলিশ ও মৎস্য বিভাগের সদস্যরা মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট থেকে একটি স্পিডবোট নিয়ে বের হন। স্পিডবোটটি ছাড়ার পরপরই ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। তখন তীব্র স্রোতে স্পিডবোটটি ঢাকা থেকে আসা কর্ণফুলী লঞ্চের তলায় ঢুকে ডুবে যায়।
ঘটনার সময় স্পিডবোটে থাকা তিনজন মৎস্য বিভাগের এবং চারজন পুলিশের সদস্য মেঘনা নদীতে নিখোঁজ হন। স্থানীয় জেলেরা একটি ট্রলার নিয়ে এসে এক পুলিশ সদস্য ছাড়া সকলকে জীবিত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. অলিউর ইসলাম বলেন, বুধবার রাত থেকে নৌ পুলিশ, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা নিখোঁজ পুলিশ সদস্যের সন্ধান চালাচ্ছেন, তবে এখনও তাকে পাওয়া যায়নি।

Comments
Comments