[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

ভিজিএফ কার্ড নিয়ে বিরোধ, ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধর বিএনপি নেতা–কর্মীদের

প্রকাশঃ
অ+ অ-
মারধর | প্রতীকী ছবি

ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজে একজন বিএনপি নেতা। তাঁর ওপর হামলা করেছেন বিএনপিরই নেতা-কর্মীরা। পছন্দের লোকজনের জন্য ভিজিএফ চালের কার্ড না পেয়ে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার নওপাড়া ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আজাদ আলী সরদারকে (৬২) মারধর করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় লোকজন ইউপি চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। মারধরের শিকার আজাদ আলী সরদার নওপাড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর নান্দিগ্রাম ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি।

নওপাড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর শ্যামপুর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম জানান, শ্যামপুর ওয়ার্ডে নিয়ম অনুযায়ী চেয়ারম্যান চালের কার্ডের তালিকা দিয়েছেন। ওই তালিকা অনুযায়ী চাল বিতরণ করা হচ্ছে। কিন্তু সাবেক সদস্য রেজাউল ও বিএনপি নেতা আফাজের এটি পছন্দ হয়নি। তাই চেয়ারম্যান রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় পথ আটকে তাঁকে মারধর করেন তাঁরা।

ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ও শ্যামপুর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মারধরের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, ‘কার্ড করতে চেয়ারম্যান আজাদ আলী সরদার আমার কাছে পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছিলেন। এ জন্য রাস্তায় ধরে চেয়ারম্যানকে মারধর করেছি আমরা।’

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ আলী সরদার বুধবার সন্ধ্যায় জানান, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাওয়ার পথে শ্যামপুর গ্রামে সাবেক ইউপি সদস্য রেজাউল, আফাজ, বিপ্লব ও বেলালসহ আরও পাঁচ-সাতজন তাঁর পথ আটকান। তাঁরা তাঁদের নিজেদের লোকজনের জন্য ২৪০টি কার্ড দাবি করেন।

আজাদ আলী সরদার বলেন, ‘আমি বলে দিয়েছি যে বিধি মোতাবেক সবার সঙ্গে আলোচনা করে কার্ড ভাগ করা হয়েছে। আর কোনো কার্ড দেওয়া যাবে না। এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। এ সময় আমার কাছে থাকা অফিসের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও ছিনিয়ে নেন তাঁরা। তাঁদের কাছে টাকা চেয়েছি বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো কথা।’

ইউপি চেয়ারম্যান জানান, তিনি বুকে ও পিঠে আঘাত পেয়েছেন এবং পায়ে জখম হয়েছে। চিকিৎসক তাঁকে বুকের এক্স-রে করার পরামর্শ দিয়েছেন।

হামলার ঘটনায় চেয়ারম্যান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঘটনা তদন্তে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

দুর্গাপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাশতুরা আমিনা বলেন, ‘ঘটনার পর চেয়ারম্যান আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। আমি তাঁকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।’

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন