[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

অবশেষে ভারত থেকেই গ্রেপ্তার হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল

প্রকাশঃ
অ+ অ-
ওসমান হাদির হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ | ছবি: সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। শনিবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (এসটিএফ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পুলিশের কাছে গোপন তথ্য ছিল যে বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর অপরাধ করে দুই বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। তাঁরা বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নিয়ে সুযোগ বুঝে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।

এসটিএফ জানায়, এই তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার মাঝরাতে অভিযান চালিয়ে দুই বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। তাঁরা হলেন পটুয়াখালীর রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও ঢাকার আলমগীর হোসেন (৩৪)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ফয়সাল করিম মাসুদ তাঁর সহযোগী আলমগীরকে নিয়ে শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যা করার পর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরার পর তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসেন। এই ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে এবং রোববার তাঁদের আদালতে হাজির করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত চলছে।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি ঢাকা–৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং বেশ কিছুদিন ধরে গণসংযোগ করছিলেন। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা অবস্থায় তাঁকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। মাথায় গুলি করার পর হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে ১৮ ডিসেম্বর তিনি সেখানে মারা যান।

আলোচিত শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে যুক্ত বাংলাদেশের পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, শরীফ ওসমানের নতুন ধারার রাজনীতির কারণেই তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর (বাপ্পী) নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শরীফ ওসমান হাদিকে সরাসরি গুলি করেছিলেন ফয়সাল করিম মাসুদ। তাঁকে এই কাজে সহযোগিতা করেন আলমগীর হোসেন। ফয়সাল করিম ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এবং আলমগীর আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত। পুলিশের ধারণা, এই হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীরের পাশাপাশি সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলামও সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন। 

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন