[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশঃ
অ+ অ-
জাতীয় ঈদগাহে আজ শনিবার সকালে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেওয়ার পর কোলাকুলি করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন  

যুদ্ধময় বিশ্বে শান্তির আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান ঈদ জামাত।

শনিবার সকালে সাড়ে ৮টায় ঢাকার জাতীয় ঈদগাহে এই নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁরা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন। সাড়ে তিন দশকের বেশি সময় পর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে একসঙ্গে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ঈদের নামাজ আদায় করলেন।

সকাল ৮টা ২০ মিনিটে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর পাঁচ মিনিট পর আসেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

এই ঈদ জামাতে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে তাঁরা দুই হাত তুলে মোনাজাত করেন।

ঈদ জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক। নামাজ শেষে খুতবার পর মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি সারা বিশ্বে অশান্তি ও সংঘাত বন্ধের প্রার্থনা জানানো হয়।

এক মাস রোজা রাখার পর ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন হচ্ছে এমন এক সময়ে, যখন মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধ চলছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশকেও সংকটের ঝুঁকিতে ফেলেছে। এর মধ্যেই মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর এসেছে আনন্দের বার্তা নিয়ে।

ঈদের দিন ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। সকালে রাজধানীর আকাশ মেঘলা থাকলেও জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ শনিবার সকালে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেন | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন  

ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে জাতীয় ঈদগাহে প্রবেশ করেন। সকাল ৭টার দিকে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে মানুষ ঈদগাহ ময়দানে ঢুকছেন। প্রবেশের সময় আর্চওয়ে ও ধাতব শনাক্তকারী যন্ত্রের মাধ্যমে তল্লাশি করা হয়। পুরো ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকা নজরদারি ক্যামেরার আওতায় রাখা হয়।

জাতীয় ঈদগাহে প্রবেশের প্রধান তিনটি পয়েন্ট—মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও শিক্ষা ভবন এলাকায় সড়কে প্রতিবন্ধক বসানো হয়, যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ময়দানের চারপাশে পুলিশের টহল ও অবস্থান ছিল। নামাজের নির্ধারিত সময়ের আগেই জাতীয় ঈদগাহ পূর্ণ হয়ে যায়। ময়দানে জায়গা না পেয়ে অনেকে রাস্তায় নামাজ আদায় করেন।

এবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে মূল প্যান্ডেলের ভেতরে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়। নারীদের জন্যও আলাদা নামাজের ব্যবস্থা ছিল।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হিসাবে, আশপাশের সড়ক ও খোলা জায়গা মিলিয়ে প্রায় ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ মুসল্লির একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায়ের সুযোগ রাখা হয়।

এ ছাড়া জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৭টায় প্রথম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বেলা পৌনে ১১টা পর্যন্ত সেখানে আরও চারটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীসহ সারা দেশের বিভিন্ন এলাকার ঈদগাহ ও পাড়া-মহল্লার জামে মসজিদগুলোয় ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন