[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন নেই, তবে কোথাও কোথাও আছে রেশনিং

প্রকাশঃ
অ+ অ-

ঢাকার আসাদগেটে ফিলিং স্টেশনে শুক্রবার সকালে জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন ছিল না | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন  

ঈদের আগের দিন রাজধানীর সড়কে গাড়ির চাপ কম ছিল, ফিলিং স্টেশনগুলোতেও কয়েক দিন আগের মতো দীর্ঘ লাইন দেখা যায়নি। তবে কয়েকটি স্টেশনে ক্রেতারা চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাননি।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের বিশ্ববাজার অস্থির হওয়ার পর দেশে সংকট এড়াতে সরকার কেনার সীমা নির্ধারণ করেছিল। এরপর ফিলিং স্টেশনগুলোতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা গাড়ির লাইন দেখা দিয়েছিল। ঈদের আগে, ১৬ মার্চ, সেই সীমা তুলে দেওয়া হয়।

ঈদের আগের দিন বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, দীর্ঘ লাইন নেই এবং ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্যে তেল নিতে পারছেন। তবে কিছু স্টেশনের কর্মীরা জানিয়েছেন, ডিপো থেকে তেলের সরবরাহ কম থাকায় তারা রেশনিং চালু রেখেছেন।

সকাল ১০টায় রাজারবাগ ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। এই সময় তেল নিতে আসা সাকিব নামের এক মোটরসাইকেল চালক আরও তেল দেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু ফিলিং স্টেশনটির কর্মচারী মোফাজ্জল হোসেন তাকে জানান, ৫০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া সম্ভব নয়।

ঢাকার আসাদগেটে ফিলিং স্টেশনে শুক্রবার সকালে গাড়িগুলো চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল কিনতে পারছিল | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন  

 সরকার রেশনিং পদ্ধতি তুলে দেওয়ার পরও তা চালু রাখা নিয়ে মোফাজ্জল হোসেন জানিয়েছেন, জরুরি গাড়িগুলোতে তারা চাহিদা অনুযায়ী তেল দিচ্ছেন। যখন মোটরসাইকেল চালকরা দীর্ঘ পথ পেরিয়ে ঈদে বাড়ি যেতে চাইছেন, তখন তাদের ট্যাংকি পূর্ণ করে দিচ্ছেন। তবে ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশনে তেলের সরবরাহ কম থাকায় কম পরিমাণে তেল দিচ্ছেন।

আরামবাগ মোড়ে অবস্থিত মেসার্স এইচ কে ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, কয়েকটি মোটরসাইকেল লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিচ্ছে। ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী মো. রাকিব হোসেন জানান, গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।

ঢাকার আসাদগেটে ফিলিং স্টেশনে শুক্রবার সকালে মোটরসাইকেলচালকেরা ভোগান্তি ছাড়াই জ্বালানি তেল নিতে পারছিলেন | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন  

মতিঝিলের কারিম অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশন সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে গিয়ে দেখা গেছে এটি বন্ধ। ফিলিং স্টেশনটির মালিক আবদুস সালাম জানান, বৃহস্পতিবার রাতেই তেল শেষ হয়ে গেছে। ডিপো থেকে যে অল্প তেল এসেছে, তা দিয়ে দীর্ঘ সময় চলে না। তেল আনতে ডিপোতে গাড়ি গেছে, এসে পৌঁছালে তারা বিক্রি শুরু করবেন।

দৈনিক বাংলা মোড়ের বিনিময় ফিলিং স্টেশনে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গিয়ে দেখা গেছে তেলের জন্য যানবাহনের তেমন চাপ নেই। ফিলিং স্টেশনটির কর্মচারী মো. মোস্তফা জানান, গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী তেল দেওয়া হচ্ছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন