[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

রাজধানীর জ্বালানি পাম্পগুলোতে আজও দীর্ঘ অপেক্ষা

প্রকাশঃ
অ+ অ-
পাম্পে তেল নিতে মোটরসাইকেলসহ যানবাহনের দীর্ঘ সারি। বুধবার সকালে রাজধানীর বিজয় সরণিসংলগ্ন ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনের সামনে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

সরকারিভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি সীমিত করার পর নিজের মোটরসাইকেল আর বাসা থেকে বের করেননি সফটওয়্যার প্রকৌশলী কাজী মোসাব্বির হোসেন। তেল নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষার ভোগান্তি এড়াতেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। গত কয়েক দিনে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরের কর্মস্থলে তিনি কখনো রিকশায়, কখনো বাসে চড়ে আবার কিছুটা হেঁটে গিয়েছেন।

তবে অনভ্যস্ততার কারণে পবিত্র রমজান মাসে নিয়মিত এভাবে যাতায়াত করা তাঁর জন্য কষ্টকর হচ্ছিল। তাই বুধবার বাধ্য হয়েই তিনি মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছেন এবং তেল ভরার জন্য তাঁকে প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। বিজয় সরণি এলাকার একটি জ্বালানি বিক্রয় কেন্দ্রের (ফিলিং স্টেশন) সামনে তাঁর আগে আরও ১০ থেকে ১২টি মোটরসাইকেলের সারি ছিল।

বুধবার সকালে বিভিন্ন জ্বালানি বিক্রয় কেন্দ্রে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। বিজয় সরণি এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ির সারি দেড় কিলোমিটার দূরের ঢাকা সেনানিবাসের জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত এবং মোটরসাইকেলের সারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রধান ফটক পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

একটি জ্বালানি বিক্রয় কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, তাঁদের এখানে তেলের সংকট নেই, তবে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সীমিত পরিমাণে তেল দেওয়া হচ্ছে। অ্যাপের মাধ্যমে যাত্রী সেবা দেওয়া চালকদের ৫ লিটার এবং ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলে ৩ লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য যানবাহনে ১০ থেকে ২৫ লিটার পর্যন্ত তেল দেওয়া হচ্ছে।

শাহবাগ এলাকার একটি বিক্রয় কেন্দ্রেও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানে তেল নিতে আসা ব্যক্তিগত গাড়ির সারি শাহবাগ মোড় ছাড়িয়ে কাঁটাবন মোড় পর্যন্ত পৌঁছেছে। চালক আবুল কালাম জানান, দেড় ঘণ্টা অপেক্ষার পর তিনি তেল নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। ঢাকার বাইরে লাইনে দাঁড়ানোর এমন চিত্র দেখেননি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তেজগাঁও শিল্প এলাকায় একটি বিক্রয় কেন্দ্রে বেলা ১১টার দিকে ডিজেল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। সেখানে দায়িত্বরত প্রকৌশলী মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় সরবরাহ অনেক কমে গেছে। চাহিদার তুলনায় অর্ধেক তেল পাওয়ায় রাত তিনটার দিকেই মজুদ শেষ হয়ে যায়। তেলবাহী গাড়ি এলে আবার বিক্রি শুরু হবে।

যাত্রী সেবা দেওয়া মোটরসাইকেল চালক মোহাম্মদ বলেন, ‘দুই লিটার তেল দিয়ে মাত্র চার-পাঁচটি ট্রিপ দেওয়া যায়। এরপর আবার তেলের জন্য লাইনে দেড়-দুই ঘণ্টা ব্যয় হলে আয়-রোজগার কীভাবে হবে?’

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন