[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

জাবিতে ‘প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা’র নামে পোষ্য কোটা ফেরানোর প্রতিবাদ

প্রকাশঃ
অ+ অ-
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা’ নামে আবার পোষ্য কোটা ফেরানোর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন   

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির ক্ষেত্রে ‘প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা’র নামে আবারও পোষ্য কোটা চালুর প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়। বুধবার বেলা ১১টার মধ্যে এই সিদ্ধান্ত স্থগিত করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ১৪ জন শিক্ষার্থী অনশন শুরু করেন। পরে উপাচার্যের আশ্বাসে তাঁরা অনশন ভাঙেন। ওই রাতেই সিদ্ধান্ত হয়, পোষ্য কোটায় সর্বোচ্চ ৪০ জন ভর্তি হতে পারবেন এবং পাস নম্বর হবে ৪০ শতাংশ।

তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ৪ ফেব্রুয়ারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবরোধ করেন। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাঁদের উত্তেজনা তৈরি হলে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উপাচার্য পোষ্য কোটা পুরোপুরি বাতিলের ঘোষণা দেন। তবে সে সময় তিনি জানান, ক্যাম্পাসে কর্মরতদের কথা বিবেচনা করে ‘প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা’ থাকবে।

এরপর সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধায় ভর্তির আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, ১ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত অনলাইনে ফরম পূরণ করা যাবে। এই সুবিধার আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সন্তানেরা ভর্তির সুযোগ পাবেন।

আজকের অবস্থান কর্মসূচিতে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী রাব্বি হাসান বলেন, ‘প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করে নতুন নামে কোটা পুনর্বহাল করেছে, যা আমরা মেনে নেব না।’ জাকসুর কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ আলী চিশতী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জুলাই আন্দোলনের পর বৈষম্যমূলক কোটা বাতিলের দাবি ছিল অন্যতম। শিক্ষার্থীদের ভয় দেখিয়ে এটি আবারও ফিরিয়ে আনা হয়েছে। কাল সকালের মধ্যে সিদ্ধান্ত স্থগিত না করলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা জানান, প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছিল, গতকাল বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সেটি প্রকাশ করা হয়েছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন