কাঁদুনে গ্যাসে ছত্রভঙ্গ ইনকিলাব মঞ্চ, থামেনি ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
![]() |
| রাজধানীর শাহবাগে পুলিশের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা–কর্মীদের সংঘর্ষ। আজ শুক্রবার রাতে দ্বিতীয় দফায় এই সংঘর্ষ শুরু হয় | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন |
রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় পুলিশ ও ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীদের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে।
শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের দিকে দ্বিতীয় দফায় এই সংঘর্ষ শুরু হয়। রাত ৮টা ২০ মিনিটে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছিল।
এর আগে সন্ধ্যা থেকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বারডেম হাসপাতালের পাশ দিয়ে পুলিশের একটি দল ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। তাঁদের দেখে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ পুলিশকে ধাওয়া দেয়।
![]() |
| ইনকিলাব মঞ্চের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যে সড়কে মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। আজ শুক্রবার রাতে রাজধানীর শাহবাগে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন |
ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের দিক থেকে পুলিশের অন্য সদস্যরা এসে সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়েন। এ সময় বিক্ষোভকারীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। একপর্যায়ে তাঁরা ছত্রভঙ্গ হয়ে শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মৎস্য ভবন ও কাঁটাবন সড়কে গিয়ে অবস্থান নেন। এরপর কিছুক্ষণ থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। রাত পৌনে নয়টার দিকে পুলিশ শাহবাগ এলাকা ছেড়ে দিলে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা আবার সেখানে অবস্থান নেন।
এর আগে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনের সড়কে পুলিশের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের, সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র ও ডাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমাসহ অনেকে আহত হন।
এই ঘটনায় আহত হয়ে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আহত ব্যক্তিদের মধ্যে গুলিতে আহত কোনো রোগী পাওয়া যায়নি। যাঁরা আহত হয়ে এসেছেন, তাঁদের জরুরি বিভাগে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অনেকে চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। আহত ব্যক্তিদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগ রোগীর ক্ষত ফেটে যাওয়া বা থেঁতলে যাওয়া।’


Comments
Comments