[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

উপদেষ্টাদের কার কত সম্পদ

প্রকাশঃ
অ+ অ-
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাবৃন্দ

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই বিবরণী প্রকাশ করে। এতে গত অর্থবছর, অর্থাৎ গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সম্পদের তথ্য দেওয়া হয়েছে। ওই দিন পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের মোট সম্পদ ছিল ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫ টাকা। এক বছর আগে তা ছিল ১৪ কোটি ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৩ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে তাঁর সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার ৩৯২ টাকা।

বিবরণীতে বলা হয়েছে, সঞ্চয়পত্র ভাঙানো, সঞ্চয়ী ও মেয়াদি হিসাবে জমা বাড়া এবং উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া শেয়ারসহ বিভিন্ন কারণে প্রধান উপদেষ্টার মোট সম্পদ বেড়েছে। তাঁর স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের মোট সম্পদ ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ৩৬০ টাকা, যা আগের অর্থবছরে ছিল ২ কোটি ১১ লাখ ৭৭ হাজার ২৭৪ টাকা। সে হিসাবে এক বছরে তাঁর সম্পদ কমেছে ৮৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১৪ টাকা।

অধ্যাপক ইউনূসের সম্পদ বিবরণী অনুযায়ী, তাঁর আর্থিক সম্পদের পরিমাণ ১৪ কোটি ৭৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪০১ টাকা। এক বছর আগে এই অঙ্ক ছিল ১৩ কোটি ১৮ লাখ ৭১ হাজার ৪৩৩ টাকা। আর্থিক সম্পদের বাইরে থাকা সম্পদ, অর্থাৎ জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাটসহ অন্যান্য স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২১ লাখ ৬ হাজার ২৫০ টাকা। এক বছর আগে তা ছিল ২০ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকা। দেশের বাইরে তাঁর সম্পদ আছে ৬৪ লাখ ৭৩ হাজার ৪১৪ টাকা, যা এক বছর আগে ছিল ৬১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৪০ টাকা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২৩ সালের আয়কর আইন প্রণয়নের সময় আন্তর্জাতিক রীতির সঙ্গে মিল রেখে ব্যক্তির সম্পদের সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়। সেখানে আর্থিক সম্পদ বলতে নগদ টাকা, ব্যাংকে রাখা অর্থ, সঞ্চয়পত্র, বিভিন্ন শেয়ার এবং কোম্পানি থেকে পাওয়া লভ্যাংশসহ সব ধরনের আর্থিক সম্পদকে বোঝানো হয়েছে। আর আর্থিক সম্পদের বাইরে থাকা সম্পদকে বলা হয়েছে নন-ফাইন্যান্সিয়াল বা স্থাবর সম্পদ, যার মধ্যে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লটসহ সব ধরনের স্থায়ী সম্পদ অন্তর্ভুক্ত।

আফরোজী ইউনূসের সম্পদ বিবরণী অনুযায়ী, তাঁর আর্থিক সম্পদের পরিমাণ ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮৬০ টাকা। এক বছর আগে তা ছিল ৯৫ লাখ ৪১ হাজার ৬৭৯ টাকা। আর তাঁর স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২৩ লাখ ১১ হাজার ৫০০ টাকা, যা এক বছর আগে ছিল ১ কোটি ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ৫৯৫ টাকা। তাঁর বিদেশে কোনো সম্পদ নেই।

অধ্যাপক ইউনূসের কোনো দেনা না থাকলেও তাঁর স্ত্রীর ১৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকার দেনা রয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। ওই বছরের ২৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সব উপদেষ্টা দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাঁদের সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করবেন। এরপর দীর্ঘদিন তা প্রকাশ না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা চলছিল। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গতকাল সোমবার জানিয়েছিলেন, উপদেষ্টাদের সম্পদের বিবরণী দু-এক দিনের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে।

বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টাসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যসংখ্যা ২১ জন। এ ছাড়া উপদেষ্টা মর্যাদায় বিশেষ সহকারী, বিশেষ দূত ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মিলিয়ে আরও ৪ জন রয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার ৪ জন বিশেষ সহকারী দায়িত্ব পালন করছেন। মঙ্গলবার তাঁদের সবার সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের গত ৩০ জুন পর্যন্ত মোট সম্পদ ৭ কোটি ১৬ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর তা ছিল ৭ কোটি ১০ লাখ টাকার বেশি। তাঁর কোনো দেনা নেই। তাঁর স্ত্রী পারভীন আহমেদের মোট সম্পদ ৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকার বেশি, যা আগের বছর ছিল ৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকার বেশি। তাঁর ব্যবসায়িক দেনা রয়েছে ৩ কোটি ১২ লাখ টাকার বেশি।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের মোট সম্পদ ১৬ কোটি ২২ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ১৫ কোটি টাকার বেশি। ব্যাংকে রাখা অর্থ থেকে পাওয়া মুনাফা এবং ডেভেলপার কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি থেকে আয়সহ বিভিন্ন কারণে তাঁর মোট সম্পদ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের মোট সম্পদ ১ কোটি ৬০ লাখ ৯৮ হাজার ২৩২ টাকা। আগের বছর ছিল ১ কোটি ৪৮ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী শীলা আহমেদের মোট সম্পদ ২ কোটি ৪৪ লাখ ৯২ হাজার ৬১৩ টাকা, যা আগের বছর ছিল ২ কোটি ১ লাখ টাকার বেশি।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের মোট সম্পদ ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ২ কোটি ৮৬ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী জাহান আরা সিদ্দিকীর মোট সম্পদ ৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বেশি, যা আগের বছর ছিল ৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকার বেশি।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলমের মোট সম্পদ ২ কোটি ৭৭ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ২ কোটি ৬১ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী লায়লা আরজুর মোট সম্পদ ১ কোটি ১৩ লাখ টাকার বেশি, যা আগের বছর ছিল ১ কোটি ১১ লাখ টাকার বেশি।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান রহমান খানের মোট সম্পদ ২ কোটি ৫২ লাখ ৯৯ হাজার ২৬৯ টাকা। আগের বছর ছিল ৯৮ লাখ ২২ হাজার ৭ টাকা। উত্তরাধিকার সূত্রে গৃহসম্পত্তি ও কৃষিজমি পাওয়ায় তাঁর স্থাবর সম্পদ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দেনা রয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। তাঁর স্ত্রী সায়রা রহমান খানের মোট সম্পদ ৫ কোটি ৮৩ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৫ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৫ কোটি ১৯ লাখ টাকার বেশি। সায়রা রহমানের দেনা আছে ৯ লাখ টাকা।

খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারের মোট সম্পদ ৩ কোটি ৮৮ লাখ ৯৭ হাজার ৯৯৪ টাকা। আগের বছর ছিল ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকার বেশি।

শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরারের (সি আর আবরার) মোট সম্পদ ৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ৭ কোটি ২ লাখ টাকার বেশি। তাঁর দেনা রয়েছে ২ লাখ ৭৩ হাজার টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী অধ্যাপক তাসনিম আরেফা সিদ্দিকীর মোট সম্পদ ৮ কোটি ২৯ লাখ টাকার বেশি, যা আগের বছর ছিল ৭ কোটি ৮২ লাখ টাকার বেশি।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের মোট সম্পদ ৬ কোটি ৭২ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী দিলরুবা কবিরের মোট সম্পদ ৩ কোটি ১৭ লাখ ৯৯ হাজার ৪৯০ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৩ কোটি ৭ লাখ টাকার বেশি।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের মোট সম্পদ ১ কোটি ১২ লাখ ৭২ হাজার ৯২৪ টাকা। আগের বছর ছিল ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্বামী আবু বকর সিদ্দিকের মোট সম্পদ ১ কোটি ৯০ লাখ টাকার বেশি, যা আগের বছর ছিল ১ কোটি ৮৯ লাখ টাকার বেশি।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক–ই–আজমের মোট সম্পদ ২ কোটি ২ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী শামীমা ফারুকের মোট সম্পদ ৩৯ লাখ টাকার বেশি, যা আগের বছর ছিল ৩৬ লাখ টাকার বেশি।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের মোট সম্পদ ৩ কোটি ৫১ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ৩ কোটি ২৪ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) রেহানা খানমের মোট সম্পদ ৩৩ লাখ টাকার বেশি, যা আগের বছর ছিল ৩৪ লাখ টাকার বেশি।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের মোট সম্পদ ৬ কোটি ২৪ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ৬ কোটি ২০ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্বামী কে এম আসাদুজ্জামানের মোট সম্পদ ১ কোটি ৩৭ লাখ টাকার বেশি, যা আগের বছর ছিল ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার বেশি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দারের মোট সম্পদ ৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। আগের বছর ছিল ৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকার বেশি। তাঁর স্ত্রী রমা সাহার মোট সম্পদ ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার বেশি, যা আগের বছর ছিল ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকার বেশি।

২০২৪ সালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের মোট সম্পদ ছিল ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৯২৯ টাকা। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২ লাখ ২৫ হাজার ৬০ টাকায়। তাঁর কোনো ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক দেনা নেই। একই সময়ে তাঁর স্বামী এ এফ এম মজহারুল হকের (ফরহাদ মজহার) সম্পদ ১ কোটি ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৯৮১ টাকা থেকে বেড়ে ১ কোটি ১০ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৯ টাকায় পৌঁছেছে।

২০২৪ সালে সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদের মোট সম্পদ ছিল ১০ কোটি ৬৫ লাখ ৯ হাজার ২৭৬ টাকা। ২০২৫ সালে তা বেড়ে হয়েছে ১০ কোটি ৯৩ লাখ ৬৪ হাজার ৭১৯ টাকা। এক বছরে তাঁর ব্যক্তিগত দেনা ২ কোটি ৮৬ লাখ ৪৯ হাজার ২০২ টাকা থেকে কমে ১ কোটি ৯১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৯ টাকায় নেমে এসেছে। ২০২৫ সালে তাঁর স্বামী হুমায়ুন কাদের চৌধুরীর মোট সম্পদ ছিল ৮ কোটি ৩৫ লাখ ১৯ হাজার ২৮৬ টাকা।

ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেনের মোট সম্পদ ছিল ৮৮ লাখ ১৫ হাজার ৭৭৪ টাকা। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৯২ হাজার ১০২ টাকায়। তাঁর কোনো আর্থিক দেনা নেই। তাঁর স্ত্রী কামরুন্নেসা হাসিনার সম্পদ ১০ লাখ ৬১ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১৪ লাখ ১১ হাজার ৬০০ টাকা হয়েছে।

২০২৪ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমার মোট সম্পদ ছিল ১ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৪১ টাকা। ২০২৫ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯৬ টাকায়। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী নন্দিতা চাকমার মোট সম্পদ ৫৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

২০২৪ সালে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের মোট সম্পদ ছিল ৯১ কোটি ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৮৪২ টাকা। ২০২৫ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৯১ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার ৮৯৫ টাকা। তাঁর স্ত্রী ইফসিয়া মাহিনের মোট সম্পদ ২ কোটি ১০ লাখ টাকার বেশি।

সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর আগের বছর মোট সম্পদ ছিল ২ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ২৬ টাকা। ২০২৫ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ১৮ হাজার ২৬ টাকায়। একই সময়ে তাঁর স্ত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সম্পদ ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা, যা বেড়ে হয়েছে ২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। নুসরাত ইমরোজ তিশার ১ কোটি টাকার দেনা রয়েছে।

গত বছর পদত্যাগ করা সাবেক স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী মোট সম্পদ ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৭১৭ টাকা। তাঁর দেনা রয়েছে ২৮ হাজার ৬৬৯ টাকা। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে তাঁর কর শনাক্তকরণ নম্বর ছিল না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

পদত্যাগ করা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমের মোট সম্পদ ১২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৭৯ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা।

উপদেষ্টার মর্যাদায় নিয়োগ পাওয়া প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজের মোট সম্পদ ২০২৪ সালে ছিল ১২ কোটি ৭২ লাখ ৮৭ হাজার ৭১১ টাকা। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪৯ হাজার ৫৩৯ টাকায়। তাঁর স্ত্রী ইশিতা সারওয়াতের মোট সম্পদ ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

অধ্যাপক আলী রীয়াজ গত বছরের ১৩ নভেম্বর উপদেষ্টার মর্যাদায় দায়িত্ব নেন। সে কারণে তাঁর সম্পদের তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। আরেক উপদেষ্টা লুৎফে সিদ্দিকী সরকারি কোনো সুবিধা নেন না। তাঁর সম্পদের তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের সম্পদের মধ্যে রয়েছে ৪৬ লাখ ৩৫ হাজার ৮৫০ মার্কিন ডলার এবং ২২ লাখ টাকা। তাঁর মোট সম্পদের একটি বড় অংশ দেশের বাইরে অবস্থিত ইমারত, ফ্ল্যাট ও অন্যান্য অস্থাবর সম্পদ। তাঁর ১২ লাখ মার্কিন ডলারের দেনা রয়েছে। 

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন