[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

থাই আদালতের রায়, প্রধানমন্ত্রীর পদ খোয়ালেন পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রা

প্রকাশঃ
অ+ অ-

থাইল্যান্ডের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা | ছবি: রয়টার্স

নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র এক বছরের মাথায় পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে পদচ্যুত করেছেন থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত। এ সিদ্ধান্ত সিনাওয়াত্রার রাজনৈতিক পরিবারের জন্য আরেকটি বড় ধাক্কা। এটি থাইল্যান্ডকেও নতুন এক অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন পেতংতার্ন। ২০০৮ সালের পর তিনি আদালতের রায়ে পদচ্যুত হওয়া থাইল্যান্ডের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী।

আদালতের রায়ে বলা হয়, গত জুনে ফাঁস হওয়া এক ফোনালাপে পেতংতার্ন নৈতিকতা লঙ্ঘন করেছিলেন। ওই কথোপকথনে তাঁকে কম্বোডিয়ার সাবেক নেতা হুন সেনের কাছে নতি স্বীকার করতে শোনা গিয়েছিল। সে সময় দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘাতের উপক্রম হয়েছিল। এ ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর সত্যিকার অর্থে লড়াই শুরু হয় এবং তা পাঁচ দিন ধরে চলে।

আদালতের এ সিদ্ধান্তের ফলে থাইল্যান্ডে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের পথ খুলে গেল। তবে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হতে পারে। কারণ, পেতংতার্নের নেতৃত্বাধীন ফিউ থাই পার্টির রাজনৈতিক ক্ষমতা কমে গেছে। আইনসভায়ও তাদের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করার মতো আসনসংখ্যা নেই। তাই জোটকে টিকিয়ে রাখাও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আদালত ৬-৩ ভোটে পেতংতার্নকে পদচ্যুত করার রায় দেন। আদালত বলেছেন, পেতংতার্ন দেশের স্বার্থের আগে ব্যক্তিগত স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছেন এবং এর মাধ্যমে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন করেছেন। এর ফলে জনসাধারণের আস্থা হারিয়েছে সরকার।

এ রায়ের মধ্য দিয়ে প্রভাবশালী থাকসিন সিনাওয়াত্রার কন্যা ও তাঁর রাজনৈতিক উত্তরসূরি পেতংতার্নের প্রধানমন্ত্রিত্বের সমাপ্তি ঘটল। মাত্র ৩৯ বছর বয়সী পেতংতার্ন ছিলেন রাজনীতিতে নবাগত। এক বছর আগে একই আদালত তাঁর পূর্বসূরি স্রেথা থাভিসিনকে হঠাৎ সরিয়ে দেওয়ার পরই তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন।

ফাঁস হওয়া ফোনালাপ নিয়ে পেতংতার্ন দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন