[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

‘মাথায় সমস্যা’র চিকিৎসা নিতে এসে চিকিৎসকের ওপর চড়াও, ধরে দেওয়া হলো থানায়

প্রকাশঃ
অ+ অ-

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন  

‘মাথায় সমস্যা’ দেখা দেওয়ায় নারায়ণগঞ্জ থেকে এক তরুণকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছিলেন তাঁর মা–বাবা। শুক্রবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে আরিফ হোসেন নামের ওই তরুণকে নিউরোসার্জারির চিকিৎসক দেখাতে আনা হয়। সমস্যার বিষয়ে জানতে চাইলে আরিফ চিৎকার করে চিকিৎসকের ওপর চড়াও হন। এরপর ওই তরুণকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আরিফ ওই চিকিৎসকের ওপর চড়াও হলে তার প্রতিবাদে নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডের অন্য চিকিৎসকেরা রোগীদের চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দেন। খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ওই ওয়ার্ডে আসেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পরিচালকের নির্দেশে হাসপাতালে কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা আরিফকে আটক করে শাহবাগ থানার পুলিশের সোপর্দ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাহবাগ থানার ওসি খালিদ মনসুর বলেন, আরিফ হোসেনকে ডিএমপি অধ্যাদেশ আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার তাঁকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হবে।

আরিফ (১৮) সপরিবার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশিমপুর খিল মার্কেট এলাকায় থাকেন। তিনি সেখানে একটি প্রিন্টিং কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। তাঁকে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছিলেন তাঁর বাবা তাজউদ্দীন ও মা শিল্পী বেগম। ঘটনার পর তাঁরা হাসপাতালের পরিচালককে বলেন, নারায়ণগঞ্জের একজন চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁরা ছেলেকে এই হাসপাতালের নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসক দেখাতে এবং সিটি স্ক্যান করাতে এসেছিলেন।

আরিফের অভিভাবকেরা জানান, এক সপ্তাহ আগে নারায়ণগঞ্জ এলাকায় তাঁদের ছেলে মারধরের শিকার হয়েছিলেন। তার পর থেকে মাথায় সমস্যা দেখা দেয়। তিনি ঠিকমতো কথা বলেন না, হঠাৎ রেগে যান। সেই ঘটনার পর থেকে চিকিৎসক দেখাচ্ছেন। এই কথা শোনার পর ও কাগজপত্র দেখে চিকিৎসকেরা শান্ত হন এবং কাজে ফিরে যান। ফলে ওয়ার্ডের চিকিৎসাসেবা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার মো. আসাদুজ্জামান তখন বলেন, আরিফের মা-বাবা হাসপাতালে এসেই চিকিৎসককে এ কথা কেন জানালেন না। তাহলে তো এমন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটত না।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন