পদ্মা ট্রিবিউন | বাংলা নিউজ পেপার
বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি

বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টা ৪০ মিনিটে এই চুক্তি সই হয়

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা
নিউম্যুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডে সাথে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে
নিউম্যুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডে সাথে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ও ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ড পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গে ১৫ বছরের চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ।


বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টা ৪০ মিনিটে এই চুক্তি সই হয়।


চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এবং ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতান আহমেদ বিন সুলায়েম চুক্তিপত্রে সই করেন।


বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) এই চুক্তির লেনদেন-সংক্রান্ত পরামর্শক ছিল।


দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড টার্মিনালটি পরিচালনা করে আসছিল। গত বছরের ৬ জুলাই তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরদিন বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠান চিটাগং ড্রাই ডক এর পরিচালনার দায়িত্ব নেয়।


এনসিটিতে আন্তর্জাতিক অপারেটর নিয়োগের প্রক্রিয়া ২০১৯ সালে শুরু হয়।


সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কাঠামোর আওতায় আন্তর্জাতিক একটি বেসরকারি অপারেটর নিয়োগের বিষয়ে ২০২৩ সালের মার্চে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল।


অন্তর্বর্তী সরকার উদ্যোগটি পুনরুজ্জীবিত করে এবং ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বেছে নেয়। তবে তীব্র বিরোধিতা ও চলতি বছরের শুরুর দিকে শ্রমিকদের ধর্মঘটের মুখে প্রক্রিয়াটি স্থবির হয়ে পড়ে। বর্তমান সরকার নতুন করে আবারও আলোচনা শুরু করে।


প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০৭ সালে নির্মিত এনসিটিতে পাঁচটি জেটি রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের ১৮টি কুইসাইড গ্যান্ট্রি ক্রেনের মধ্যে ১৪টিই এই টার্মিনালে।


চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার ওঠানামার ৪০ শতাংশের বেশি এই টার্মিনালের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।


তবে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি।


এদিকে সরকারের ভাষ্য, এই চুক্তির ফলে জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড ও কনটেইনার ডুয়েল টাইম কমবে এবং আমদানি-রপ্তানিকারকদের লজিস্টিকস ব্যয় সাশ্রয় হবে। ফলে বিশেষ করে পোশাক, কৃষিপণ্য, প্রক্রিয়াজাত পণ্য ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো খাতগুলো উপকৃত হবে।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন

0 Comments

No comments yet. Be the first to share your thoughts!

Leave a Comment

Moderated — may take a moment.