[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামে ধানমন্ডিতে বর্ষবরণ শোভাযাত্রা

প্রকাশঃ
অ+ অ-
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বের করা হয় ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

‘মঙ্গল আছে, মঙ্গল থাকবে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে ‘বর্ষবরণ পর্ষদ’ নামের একটি সংগঠন ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডির ২৭ নম্বর সড়কের মীনা বাজারের সামনে থেকে এই বর্ষবরণ উৎসব ১৪৩৩-এর সূচনা হয়।

শোভাযাত্রা শুরু হওয়ার আগে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর ‘ধনধান্য পুষ্পভরা’ এবং সবশেষে ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। মীনা বাজারের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে পুনরায় একই স্থানে এসে শোভাযাত্রাটি শেষ হয়।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে বের করা ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’। এই শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন  

মঙ্গল শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজক কঙ্কণ নাগ বলেন, ‘বহু বছর ধরে আমরা ঢাকায় মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে আসছি। আমরা এই ঐতিহ্য বজায় রাখতে চাই এবং চাই এটি এই নামেই পালিত হোক।’

মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের কোনো প্রয়োজনীয়তা দেখেন না কঙ্কণ নাগ। তিনি বলেন, ‘শুধু চারুকলা ১৯৯০ সাল থেকে এটি মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে পালন করছে তা নয়, সারা বাংলাদেশেও এটি দীর্ঘ সময় ধরে একই নামে পালিত হয়ে আসছে। তাই এই নাম বদলানোর কোনো যুক্তি নেই।’

এই নামের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা নামের বড় কারণ হলো, আমরা বছরের প্রথম দিনে মানুষের মাঝে কল্যাণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই। সব ভেদাভেদ ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মানুষ যেন মঙ্গলের স্বপ্ন নিয়ে বছরটি শুরু করতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’

উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, ‘১৯৮৯ সালে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় মঙ্গল শোভাযাত্রার যাত্রা শুরু হয়। তবে এরও দুই বছর আগে যশোরে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী একই নামে বর্ষবরণের এই শোভাযাত্রা শুরু করেছিল। পরে সাধারণ মানুষ এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে এটি আমাদের ঐতিহ্যের অংশ হয়ে দাঁড়ায়।’

শোভাযাত্রা শেষে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে গান পরিবেশন করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্যরা। এরপর ব্রতচারী নাচ পরিবেশন করেন তক্ষশীলা সংগঠনের শিল্পীরা। এ ছাড়া মকবুল আহমেদ রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন এবং ইকবাল খোরশেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান কবিতা আবৃত্তি করেন।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন