[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

সিলেটে ফিলিং স্টেশন মালিকদের ধর্মঘট, জ্বালানি সংকটে গ্রাহকেরা

প্রকাশঃ
অ+ অ-
সিলেটে ধর্মঘটে বন্ধ ফিলিং স্টেশন। আজ বৃহস্প‌তিবার সকালে নগরের জিন্দাবাজার এলাকায় | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা ও হয়রানির প্রতিবাদে সিলেট বিভাগের সব জ্বালানি তেল বিক্রয় কেন্দ্র এবং সিএনজি পুনর্ভরণ কেন্দ্রে ধর্মঘট চলছে। গত বুধবার রাত থেকে এই ধর্মঘট শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিভাগীয় সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী।

এর আগে গত বুধবার বিকেলে সিলেট শহরের একটি জ্বালানি তেল বিক্রয় কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে অতিরিক্ত মজুতের অভিযোগে জরিমানা করেন জেলা প্রশাসন ও র‍্যাবের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওই সময় এ অ্যান্ড এ অ্যাসোসিয়েটস নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জুবায়ের আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের নামে জ্বালানি তেল বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে প্রতিনিয়ত হয়রানি করা হচ্ছে। প্রতিদিনই এমন অভিযান চালানো হচ্ছে। এমনিতেই চাহিদামাফিক জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। তার ওপর এমন চলতে থাকলে ব্যবসা করা সম্ভব না। তাই আমরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছি।’

গত বুধবার রাত এবং বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জ্বালানি না পেয়ে যানবাহনগুলোকে ফিরে যেতে দেখা গেছে। অনেককে সকাল থেকে জ্বালানি সংগ্রহের জন্য বিক্রয় কেন্দ্রের সামনে সারিবদ্ধ হয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

আম্বরখানা এলাকায় সাইফুল ইসলাম নামের এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক বলেন, গ্যাস না পেলে দুপুর পর্যন্ত অটোরিকশাগুলো চলতে পারবে। এরপর আর কোনো যানবাহনই চলাচল করতে পারবে না। হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ পড়বে।

পেট্রলপাম্প মালিক সংগঠনের একাধিক নেতা জানান, পাম্পে অভিযান পরিচালনা ও জরিমানা আদায় ছাড়াও জ্বালানি তেল বিক্রিতে প্রশাসনের বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার কারণে পাম্পের মালিকেরা ক্ষুব্ধ। এর মধ্যে তদারকি কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে দায়িত্ব পালন করানো হচ্ছে, পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং ভাণ্ডারে বিজিবি মোতায়েন আছে—সরকারি এসব সিদ্ধান্ত জ্বালানি ব্যবসার ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করছে। এর মধ্যে প্রতিনিয়ত অভিযান চালিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পাম্পের মালিকেরা একটি জরুরি সভা আহ্বান করেছেন। সভায় পেট্রলপাম্প মালিক, সিএনজি পাম্পের মালিক এবং তেলবাহী লরির মালিকেরা উপস্থিত থাকবেন। 

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন