ঢাকার রিং রোডে উচ্ছেদ অভিযান, দোকান ও স্থাপনা সরাল পুলিশ
![]() |
| শ্যামলীর রিং রোডে অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন |
রাজধানীর শ্যামলীর রিং রোডে অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযানে নেমেছে পুলিশ। পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং সড়কের যানজট এড়াতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড ও সলিমুল্লাহ রোডেও এই অভিযান চালানোর কথা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে থাকা ছোট ছোট দোকান সরিয়ে দেওয়া হয়। এসময় ফুটপাতে থাকা কয়েকজনের মালপত্র জব্দ করা হয়।
রাস্তার পাশে অবৈধভাবে গাড়ি থামিয়ে রাখায় বেশ কয়েকটি ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দোকানের সামনের রাস্তা ও ফুটপাতে জিনিসপত্র রাখায় কয়েকজন দোকানিকে জরিমানা করা হয়। ফুটপাত ও রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে পথচারী চলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগে অনেককে জরিমানা করার পাশাপাশি সতর্কও করেছে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষ মহানগর হাকিম (সিনিয়র সিভিল জজ) মো. আল-ফয়সাল এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
তিনি বলেন, ফুটপাতে মানুষের চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় এমন কাজ না করতে আগে থেকেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনেকে তা না মানায় কাউকে সতর্ক করা হচ্ছে, আবার কাউকে জরিমানা করা হচ্ছে। ফুটপাতে আবারও অবৈধ স্থাপনা বসবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, আলোচনার মাধ্যমে নিয়মিত তদারকির ব্যবস্থা করা হবে।
ডিএমপির তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, তাঁরা কোনো কঠোর আচরণ করছেন না, বরং হাকিমের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছেন। অভিযানে মোহাম্মদপুর ট্রাফিক অঞ্চলের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আসলাম সাগরসহ পুলিশের প্রায় অর্ধশত সদস্য অংশ নেন।
রিং রোডের দোকানি মো. বাশেত বলেন, পুলিশ আগে ঘোষণা দেওয়ায় এখন অবৈধ স্থাপনা তেমন নেই। তবে বিকেলের পর আবার সবাই বসতে পারে। রাত পর্যন্ত এই সড়কে যানজট থাকে, তাই অভিযানের ধারাবাহিকতা বজায় না রাখলে কোনো লাভ হবে না।

Comments
Comments