[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে: চীনের রাষ্ট্রদূত

প্রকাশঃ
অ+ অ-
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। রোববার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে | ছবি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সমর্থন জানিয়ে চীন আশা প্রকাশ করেছে, এই সরকারের আমলে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক ‘নতুন উচ্চতায়’ পৌঁছাবে।

রোববার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা সমস্যাসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিকভাবে শেষ হয়েছে। এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি বিজয় এবং দেশের মানুষের জন্য বড় অর্জন।

ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী এবং একটি সমন্বিত ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে চীন দুই দেশের সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সুশাসন নিশ্চিতে চীনের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।

দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক পটভূমি উল্লেখ করে ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরে তাঁর মা খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সেই সম্পর্ক আরও জোরালো হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের সেই ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নিতে প্রস্তুত রয়েছে চীন।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশের সংহতি, স্থিতিশীলতা, সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও অখণ্ডতা রক্ষার প্রতি চীনের সমর্থন রয়েছে। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির প্রতি চীনের সমর্থন রয়েছে এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চীন সহায়তা করবে।

বাংলাদেশের ওপর চীনের প্রভাব কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের বিষয়ে জানতে চাইলে ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘আমাদের মুখপাত্র এ নিয়ে দুটি বিবৃতি দিয়েছেন, আপনারা সেগুলো দেখতে পারেন। তবে আমি জোর দিয়ে বলতে চাই, বাংলাদেশ বা দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশের সঙ্গে চীনের সহযোগিতা পুরোপুরি মানুষের স্বার্থে। তাই আমাদের এই সহযোগিতা তৃতীয় কোনো পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় এবং তা অন্য কোনো পক্ষের ওপর প্রভাব ফেলবে না। যারা এই সহযোগিতাকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের চেষ্টা সফল হবে না।’

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইয়াও ওয়েন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে। এটি দ্রুতই শুরু হবে—এমনটাই তাঁর প্রত্যাশা। বৈঠকে তিস্তা নদী সংশ্লিষ্ট প্রকল্পসহ অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

ইয়াও ওয়েন আরও জানান, বাংলাদেশের আত্মনির্ভরশীল ও গণতান্ত্রিক উন্নয়নের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন