[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

ঈশ্বরদীতে বাড়িতে দাদির ও সরিষা ক্ষেতে নাতনির লাশ, পুলিশের ধারণা ‘ধর্ষণের’ পর কিশোরীকে হত্যা

প্রকাশঃ
অ+ অ-
মৃত্যু খবর শুনে কিছুতেই থামছে না স্বজনদের আহাজারি। শনিবার সকালে ঊপজেলার ভবানিপুর উত্তরপাড়ায় | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় দাদি ও নাতনিকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের দু’টি আলাদা স্থান থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে বাড়ি থেকে দাদির ও সরিষা ক্ষেত থেকে নাতনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, ধর্ষণের পর নাতনিকে হত্যা করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন-ওই ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)। তারা বাড়িতে একসঙ্গেই থাকতেন।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, জামিলার বাবা জয়নাল খাঁ কাজের প্রয়োজনে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। বাড়িতে দাদি ও নাতনি ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। এলাকাবাসীর দাবি, শুক্রবার দিবাগত রাতে ওই বাড়ি থেকে হঠাৎ কান্নার শব্দ শোনা গিয়েছিল। এ সময় কয়েকজন প্রতিবেশী ঘর থেকে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে তারা আবার নিজেদের ঘরে ফিরে যান।

শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে জামিলাকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। একপর্যায়ে পাশের একটি সরিষা খেতে তার বিবস্ত্র মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা মধ্যরাতে জামিলাকে তুলে নেয়ার চেষ্টা করলে দাদি সুফিয়া খাতুন বাধা দেন। এ সময় তাকে আঘাত করে হত্যা করা হয়। এরপর কিশোরীকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। মরদেহ বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়ায় সম্ভাব্য যৌন নির্যাতনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানিয়েছেন, ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। আলামত সংগ্রহের কাজ চলছে এবং জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন