তিন টার্মিনাল ইজারায় দুর্নীতির অভিযোগ, দুদকে তদন্তের দাবি
![]() |
| তিন কনটেইনার টার্মিনাল ইজারায় দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে দুদকে আবেদন জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ‘দেশপ্রেমিক নাগরিক সমাজ’–এর নেতারা। সেগুনবাগিচা, ঢাকা। ২২ ফেব্রুয়ারি | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন |
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং ও লালদিয়া এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জের পানগাঁও কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি ও ‘কমিশন-বাণিজ্যের’ অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে দাবি জানিয়েছে ‘দেশপ্রেমিক নাগরিক সমাজ’ নামের একটি সংগঠন।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলা হয়েছে।
রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের কাছে তাঁরা এই অভিযোগ করেন। এর আগে এ-সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য দুদকে জমা দেয় সংগঠনটি।
সংগঠনটির মুখপাত্র মো. আল আমিন হোসেন দাবি করেন, চট্টগ্রাম বন্দরের লাভজনক নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালটি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে চুক্তির মাধ্যমে ইজারা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে এবং এখনো সেই তৎপরতা চলছে। এর আগে প্রতিবাদের মুখে উদ্যোগটি স্থগিত হলেও বর্তমানে আবারও একই বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা শুরুর চেষ্টা করা হচ্ছে।
আল আমিন হোসেন আরও বলেন, গত ১৭ নভেম্বর ডেনমার্কভিত্তিক এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে লালদিয়া টার্মিনাল ইজারার ৪৮ বছর মেয়াদি চুক্তি এবং একই দিনে কেরানীগঞ্জের পানগাঁও টার্মিনাল ইজারায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক মেডলগ এসএ কোম্পানির সঙ্গে ২২ বছরের চুক্তি সই করা হয়। তাঁর দাবি, চুক্তিগুলো অস্বাভাবিক দ্রুততায় এবং গোপন শর্তের (নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট) আওতায় করা হয়েছে। উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান না করে নির্দিষ্ট বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির উদ্যোগ নেওয়ায় বড় ধরনের কমিশন-বাণিজ্য ও দুর্নীতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Comments
Comments