অন্যায় করলে নিজের লোককেও ছাড় নয়: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
![]() |
| নাটোর সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। আজ শনিবার | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন |
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, ‘আমার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কেউ যদি আমার নাম নিয়ে অন্যায় করে, তবে আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এই মঞ্চ থেকেই অনুমতি ও অনুরোধ করছি—তাঁকে আমার পাশ থেকে তুলে নিয়ে যাবেন। কারণ, কোনোভাবেই কোনো পরিস্থিতিতে আমি অন্যায় সহ্য করব না, সরকারও তা মেনে নেবে না।’
শনিবার দুপুরে নাটোর সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নাটোর-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য বর্তমান সরকারের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই ছিল তাঁর প্রথম নাটোর জেলা সফর। বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন ও পুলিশ সুপার এম এ ওয়াহাব তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান। পরে তিনি সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলার প্রতিটি দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং মতবিনিময় করেন।
এরপর সার্কিট হাউসের উন্মুক্ত স্থানে সংবাদ সম্মেলন করেন এম এ ওয়াহাব। এ সময় তিনি বলেন, অন্যায়কারী শুধু একজন অপরাধীই, তাঁর কোনো দল বা মত নেই। তাঁকে যেকোনো উপায়ে আইনের আওতায় আনতে হবে।
প্রতিমন্ত্রীর নিজের ওয়ার্ড (লালপুরের গৌরিপুর) থেকে পারিবারিক কার্ড বিতরণ শুরু করা বৈষম্যমূলক কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি সবার জন্য একটি প্রকল্প। সমাজের সব স্তরের বয়স্ক নারীরা পর্যায়ক্রমে এই কার্ড পাবেন। এই প্রকল্প পরীক্ষামূলকভাবে ১০ মার্চ শুরু হবে। প্রথমে ১৪টি জেলার একটি উপজেলার একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের নিম্নবিত্ত পরিবারের নারীদের এই কার্ড দেওয়া হবে। পরে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি পরিবার এই সুবিধা পাবে। এমনকি আমি এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়ও এই কার্ড পাব।’
পারিবারিক কার্ড প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমানে আরও কিছু সরকারি সুবিধা চালু আছে। পারিবারিক কার্ড নিতে হলে অন্য সুবিধাভোগীদের যেকোনো একটি সুবিধা বেছে নিতে হবে। এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত সুবিধাভোগী নির্বাচন করবে। এখানে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি কাজে লাগানোর সুযোগ নেই।’
পরে প্রতিমন্ত্রী লালপুরের গোপালপুর চিনি কলে যান। সেখানে নির্বাচিত শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের নেতাদের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখান থেকে নিজ গ্রাম গৌরিপুরে যান তিনি। গৌরিপুর স্কুল মাঠে তাঁকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হবে।

Comments
Comments