[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

নারী ভোটারদের হুমকির অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর, বিএনপি বলছে মনগড়া

প্রকাশঃ
অ+ অ-
সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য দেন নোয়াখালী-৫ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. বেলায়েত হোসেন। আজ দুপুরে কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট ও সদর উপজেলার দুই ইউনিয়ন) আসনে বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষের সমর্থক দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে নারী ভোটারদের হুমকি দেওয়া, ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার ও বিশেষ এলাকায় সন্ত্রাসী জড়ো করার অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট পদে থাকা ব্যক্তিদের প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা পদে নিয়োগ দিয়ে ভোটকেন্দ্রে জালিয়াতির পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাটে উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. বেলায়েত হোসেন এই অভিযোগ করেন। তিনি দলীয় প্রার্থী ছাড়াও উপজেলা জামায়াতের আমির।

মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘নারী ভোটারদের বিভিন্ন জায়গায় ধানের শীষের প্রার্থীর লোকজন হুমকি দিচ্ছে। হুমকির ভিডিও প্রশাসনকে দেখানো হলেও এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘গতকাল থেকে বিভিন্ন জায়গায় বোমা ফাটানো হচ্ছে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য, যাতে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে না আসে। মুছাপুরসহ কিছু এলাকায় পূর্বের সময়ের সন্ত্রাসীরা জড়ো হয়ে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করছে।’

জামায়াতের প্রার্থী জানান, দলীয় পদ–পদবিসহ প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পাওয়া ৪৮ জন চিহ্নিত ব্যক্তিকে পরিবর্তনের জন্য তারা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। কিন্তু এখনো কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই পরিস্থিতিতে তিনি প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাঁর কোনো সমর্থকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে করা হয়। তারপর সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে নোটিশ দেওয়া হয়। আমি এ ধরনের অভিযোগ সম্পর্কে অবগত নই। সব অভিযোগই মনগড়া। আমরা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য কাজ করছি।’

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘হুমকি দেওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের মধ্যে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল, তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে।’

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুরুল হাকিম বলেন, ‘বোমা ফাটানো ও সন্ত্রাসী জড়ো করার অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। সব জায়গায় পুলিশের নিয়মিত টহল রয়েছে।’

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন