[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

বিএনপির প্রার্থীকে ফুলের মালা পরানো প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশঃ
অ+ অ-
বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আহমেদের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেন নুরুল ইসলাম। সম্প্রতি বিলাশপুরের মুলাই ব্যাপারীকান্দি গ্রামে | ছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুর-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আহমেদকে প্রকাশ্যে ফুলের মালা পরিয়ে আলোচনার জন্ম দেওয়া নুরুল ইসলাম ব্যাপারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে জাজিরার মুলাই ব্যাপারীকান্দি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বিলাসপুর বিস্ফোরণ মামলার প্রধান আসামি। এ নিয়ে ওই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

অভিযোগ ছিল, বিস্ফোরণের ঘটনার কিছুদিন পর থেকেই নুরুল ইসলাম এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করছিলেন। নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ ছিল, পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এর মধ্যে গত শুক্রবার তিনি প্রকাশ্যে বিএনপি প্রার্থী সাঈদ আহমেদকে ফুলের মালা পরিয়ে দেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয় এবং নিহতদের স্বজনরা ক্ষোভ ও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

এই ঘটনা সংবাদমাধ্যমে উঠে আসার পর নুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে মোট ১১টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে সাতটি বিস্ফোরক আইনে এবং পাঁচটি অন্যান্য অপরাধের।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অভিযান) তানভীর হোসেন। তিনি জানান, নুরুল ইসলামকে তাঁর বাড়ির কাছ থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের ধরতেও অভিযান চলছে।

জাজিরা থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ জানুয়ারি জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই ব্যাপারীকান্দি গ্রামে একটি বসতঘরের ভেতরে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তিনজন প্রাণ হারান। ঘটনার দিন পাশের একটি ফসলি জমি থেকে সোহান ব্যাপারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে আহত অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীন হোসেন ও ১৩ জানুয়ারি নয়ন মোল্যা মারা যান।

ওই ঘটনায় জাজিরা থানার উপপরিদর্শক (সাব-ইন্সপেক্টর) আবুল কালাম বাদী হয়ে ৫৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ জনকে আসামি করে বিস্ফোরক আইনে মামলা করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে মামলার আসামিরা এলাকায় যাতায়াত করছেন এবং নিজেদের লোকজনকে জড়ো করছেন। বিস্ফোরণের পর থেকে যৌথ বাহিনী বিলাসপুর এলাকায় কয়েক দফায় অন্তত ৮০টি ককটেল উদ্ধার করেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, এই মামলার আসামিদের তালিকায় বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী ও তাঁর তিন ভাই রয়েছেন। কুদ্দুস ব্যাপারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। আর গ্রেপ্তার হওয়া নুরুল ইসলাম তাঁর ভাই ও মামলার প্রধান আসামি।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন