[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়া আসনে শেষ মুহূর্তে ইশতেহার ঘোষণা জামায়াত নেতার

প্রকাশঃ
অ+ অ-
 সোমবার রাতে হঠাৎ করেই ইশতেহার ঘোষণা করেন জামায়াত নেতা ডা. মো. আবু নাছের | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১-দলীয় জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ছেড়ে দেওয়া চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও-পাঁচলাইশ আংশিক) আসনে শেষ মুহূর্তে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা।

এই আসনে শাপলা কলি প্রতীকে এনসিপির প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতের প্রার্থী ডা. মো. আবু নাছের। জামায়াত ও ১১-দলীয় জোটের দুজন প্রার্থীই মাঠে থাকায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ।

প্রাথমিকভাবে জামায়াত এই আসনে ডা. মো. আবু নাছেরকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছিল। পরে এনসিপির সঙ্গে জোট হওয়ার পর এই আসনটি এনসিপি নেতা জোবাইরুল হাসান আরিফকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে জামায়াতের প্রার্থী তাঁর মনোনয়নপত্র তুলে নেননি এবং তিনি এখনো নির্বাচনের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। সর্বশেষ গত সোমবার রাতে তিনি ১১ দফার একটি নির্বাচনী ইশতেহারও তুলে ধরেন।

ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে আবু নাছের বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি এলাকার দীর্ঘদিনের অবকাঠামো সমস্যার সমাধান, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি এবং স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা খাতে দৃশ্যমান ও মৌলিক পরিবর্তন আনবাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবেন। তাঁর লক্ষ্য হলো শহর ও গ্রামের মধ্যে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এছাড়া কালুরঘাট সেতু নির্মাণ, চান্দগাঁও, বোয়ালখালী এবং পাঁচলাইশ-বায়েজিদ এলাকার আংশিক জলাবদ্ধতা দূর করা, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখা, পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ে তোলা এবং বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ২০০ শয্যায় উন্নীত করাসহ নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

ইশতেহার ঘোষণার সময় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ওমর ফারুক বিন নুরুল আবছারের মা রুবি আক্তারসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে এনসিপির প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ বলেন, ‘১১-দলীয় জোটের সিদ্ধান্তে আমি এই আসনে নির্বাচন করছি। এলাকায় আমার অবস্থান বেশ ভালো।’ জোটের সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও জামায়াতের প্রার্থী কেন নির্বাচন করছেন—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘জোটের বৃহত্তর স্বার্থেই আমি নির্বাচনে আছি।’

অন্যদিকে জোটের প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও শেষ মুহূর্তে ইশতেহার ঘোষণার বিষয়ে ডা. মো. আবু নাছের বলেন, ‘এলাকার মানুষের আবেগকে গুরুত্ব দিতেই আমি সরে দাঁড়াতে পারিনি। শেষ পর্যন্ত আমি নির্বাচনের মাঠে থাকছি। আমার বিশ্বাস, এলাকার মানুষ আমাকেই বেছে নেবেন।’

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন