[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

ঈদ আসবে শুনিয়েও ঈদের চাঁদ উঠল না: মামুনুল হক

প্রকাশঃ
অ+ অ-
জনসভায় বক্তব্য দিচ্ছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেছেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দেশের মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘ওই সময় অনেকে শুধু বাংলাদেশের মানুষকে ঈদের কথা শোনাতেন। বলতেন, ঈদ আসবে, ঈদ আসবে। কিন্তু প্রায় ১৭ বছর পর্যন্ত বাংলাদেশের ভাগ্যাকাশে ঈদের চাঁদ ওঠেনি।’

রাজধানী ঢাকার মেরুল বাড্ডায় ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মামুনুল হক এসব কথা বলেন। ঢাকা-১১ আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী নাহিদ ইসলামের সমর্থনে এই সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

মামনুল হক আরও বলেন, যখন মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে যায়, তখন স্কুল থেকে ছোট শিশুরা বেরিয়ে আসে, কলেজ থেকে তরুণ প্রজন্ম রাজপথে নামে। আলিয়া ও কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সব বিভেদ ভুলে একসঙ্গে মাঠে নামে। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, নাহিদ ইসলামদের নেতৃত্বে চার কোটি ছাত্র-জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কঠিন ঐক্য গড়ে তুলেছিল। জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটেছে এবং দেশে নতুন স্বাধীনতার সূর্য উদয় হয়েছে।

মামুনুল হক বলেন, চব্বিশ-পরবর্তী বাংলাদেশের মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা ও ইচ্ছা, যারা সেটিকে সম্মান জানাতে পারবে না, দেশের মানুষ তাদের কোনো দিন গ্রহণ করবে না। তিনি আরও বলেন, ‘বিগত দিনের রাজনীতির ওপর সওয়ার হওয়া দুই ভূতকে বিদায় করতে দেশের জনগণ এখন ঐক্যবদ্ধ। প্রথম ভূত হলো রাজনীতি থেকে গুন্ডামি ও সন্ত্রাসকে বিদায় করা, আর দ্বিতীয়টি হলো রাজনীতি থেকে লুটপাট ও দুর্নীতিকে চিরতরে দূর করা।’

দেশের মানুষ দীর্ঘদিন শোষণ ও বঞ্চনার শিকার হয়েছে উল্লেখ করে মামুনুল হক বলেন, ‘শাসকের গায়ের চামড়ার রং বদলেছে, জাত বদলেছে, ভাষাও বদলেছে। কিন্তু মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা করা আর অধিকার কেড়ে নেওয়ার শাসনের কোনো পরিবর্তন হয়নি।’

খেলাফত মজলিসের আমির আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার আগে শাসকেরা বাংলাদেশ থেকে সম্পদ লুট করে নিজেদের দেশে নিয়ে যেত। আর স্বাধীনতার পর দেশি শাসকেরা জনগণের সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচার করেছে। যারা দেশের সম্পদ চুরি করে বিদেশে বেগম পাড়া বানিয়েছে, তারা জনগণের সঙ্গে সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।’ 

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন