[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

গোপালগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০

প্রকাশঃ
অ+ অ-
গোপালগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র‌্যাব সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন    

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ছয়টি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে কমলাপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত নিলু মুন্সী (৫০) ওই গ্রামের আনোয়ার মুন্সীর ছেলে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বশত্রুতার জেরে সোমবার বেলা ১১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফটকে আনোয়ার মুন্সীর লোকজন নূর ইসলামকে মারধর করেন। পরে নূর ইসলামকে ওই হাসপাতালেই ভর্তি করা হয়।

এই ঘটনা জানাজানি হলে নূর ইসলামের লোকজন আনোয়ার মুন্সীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।

গুরুতর আহত অবস্থায় আনোয়ার মুন্সীর সমর্থক নিলু মুন্সী ও তাঁর স্ত্রী রুপা বেগম (৪০), ভাই মিলন মুন্সী (৫২) ও দুলাল মুন্সীকে (৪০) প্রথমে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক নিলু মুন্সীকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্য তিনজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আনোয়ার মুন্সী বলেন, ‘নূর ইসলামের লোকজন রামদা, রড ও লাঠি নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা করে। তারা আমার বাড়ির ছয়টি ঘর ভাঙচুর করে মালামাল লুটে নিয়েছে। আমার এক ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে নূর ইসলাম ও তার লোকজনের বিচার চাই।’

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ আল মামুন জানান, এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র‍্যাব সদস্যরা সেখানে অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন