[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

শিশুদের ধানের শীষ স্লোগান কুড়িগ্রামে ভাইরাল

প্রকাশঃ
অ+ অ-
কুড়িগ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের দিয়ে ধানের শীষের স্লোগান। বৃহস্পতিবার বিকেলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নেতারা এই স্লোগান দেওয়ান | ছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দেওয়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পূর্ব ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের দিয়ে এই স্লোগান করানো হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাশরাফি বিন মোকাদ্দেস শিক্ষার্থীদের মাঠে দাঁড় করিয়ে স্লোগান দিচ্ছেন, ‘আমরা যদি বড় হতাম, ধানের শীষে ভোট দিতাম’, ‘আমরা যদি ভোটার হতাম, ধানের শীষে ভোট দিতাম’, ‘আমরা যদি ভোটার হতাম, রানা ভাইকে ভোট দিতাম’। ৪৫ সেকেন্ডের এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ছোট শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক প্রচারণায় যুক্ত করা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে আলাদা রাখার নিয়ম থাকলেও এ ঘটনা সেটা উপেক্ষা করেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন অভিভাবক বলেছেন, শিক্ষার্থীদের এভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা উচিত নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাশরাফি বিন মোকাদ্দেসের নেতৃত্বে কয়েকজন বিদ্যালয়ে এসে জোর করে শিক্ষার্থীদের একত্র করে দলীয় স্লোগান দিতে বাধ্য করেন।

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রদল নেতা মাশরাফি বিন মোকাদ্দেস বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। পরে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষমা চেয়েছেন।

উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান বলেন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করে অভিযুক্ত নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে মৌখিকভাবে তাঁকে শোকজ করা হয়েছে।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ভিডিওটি তিনি দেখেছেন। বিষয়টি ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির কাছে পাঠানো হবে। সত্যতা যাচাইয়ের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন