[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘাতের ময়দান এখন সামাজিক মাধ্যম, ঝুঁকি কোথায়

প্রকাশঃ
অ+ অ-
নির্বাচন সামনে রেখে সামাজিক মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারে সক্রিয় বিএনপি ও জামায়াত, পাল্টাপাল্টি প্রচারে উত্তপ্ত অনলাইন পরিসর | গ্রাফিক্স: পদ্মা ট্রিবিউন 

মার্কিন দার্শনিক হেনরি থরো একসময় বলেছিলেন, ‘ভোট আসলে এক ধরনের জুয়া। অনেকটা দাবা বা পাশা খেলার মতো।’ ভোটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা বিবেচনায় নিলে কথাটি আরও বিস্তৃত করে বলা যায়, ‘ভোট এক ধরনের জুয়া, যেখানে দাবার অনেক চালই ঠিক করে দেয় ডিজিটাল অ্যালগরিদম।’

বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক তৎপরতা এই কথার প্রমাণ দিচ্ছে। ভোট সামনে রেখে ইতিমধ্যে দলগুলো নিজ নিজ ‘থিম সং’ প্রকাশ করেছে। বিএনপির থিম সংয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দলীয় প্রতীক ‘ধানের শীষ’-কে। জামায়াতে ইসলামীর থিম সংয়ে তুলে ধরা হয়েছে তাদের প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’। একইভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের থিম সংয়ে প্রাধান্য দিয়েছে দলীয় প্রতীক ‘শাপলা কলি’-কে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। এই নির্বাচন মূলত বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নিচ্ছে। মাঠপর্যায়ের প্রচার শুরু হয়েছে গতকাল বৃহস্পতিবার। তবে অনলাইনে দলগুলোর লড়াই চলছে কয়েক মাস ধরেই।


তরুণ ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে রাজনৈতিক দলগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জোরালোভাবে সক্রিয় হয়েছে। শেখ হাসিনার পতনে এই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এবার সরকার গঠনের ক্ষেত্রেও তাঁদের ভূমিকা বড় হতে পারে। জামায়াতের নির্বাচনী গান ‘নৌকা, ধানের শীষ, লাঙ্গল দেখা শেষ, দাঁড়িপাল্লা এবার গড়বে বাংলাদেশ’ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এই আলোড়ন অন্য দলগুলোকেও গান তৈরির প্রতিযোগিতায় নামতে বাধ্য করে। এখন নির্বাচনী প্রচারে শুধু জনসভা নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও সমান শক্তিশালী মাধ্যম।

এই গানের সুরকার ও শিল্পী লন্ডনপ্রবাসী চলচ্চিত্র নির্মাতা হাসান আল-বান্না আল জাজিরাকে জানান, গানটি শুরুতে ঢাকার এক প্রার্থীর জন্য তৈরি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, মানুষ গানটি শেয়ার করতে শুরু করলে অন্য প্রার্থীরাও বুঝতে পারেন, এটি সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করছে। এরপর তাঁরাও এটি ব্যবহার করতে শুরু করেন।

বিএনপিও নিজেদের প্রচারের জন্য আলাদা গান প্রকাশ করেছে। গানের কথায় বলা হয়েছে, দলটি নিজেদের আগে দেশকে গুরুত্ব দেয়। সেখানে বলা হয়, ‘আমার আগে আমরা, আমাদের আগে দেশ, ক্ষমতার আগে জনতা, সবার আগে বাংলাদেশ।’

বাংলাদেশে নির্বাচনী প্রচারে গান ব্যবহারের ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ‘জয় বাংলা, জিতবে এবার নৌকা’ শিরোনামে গান তৈরি করেছিল।

একাধিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, বিএনপি জামায়াতের তুলনায় সামান্য এগিয়ে রয়েছে। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীদের গঠিত এনসিপিও একটি গান প্রকাশ করেছে। তবে ডিজিটাল মাধ্যমে গান কেবল জনসংযোগের একটি উপকরণ। এটি বৃহৎ ডিজিটাল প্রচারের ছোট একটি অংশ মাত্র। ছোট নাটকীয় ভিডিও, আবেগঘন ভোটার সাক্ষাৎকার, নীতিগত ব্যাখ্যা ও ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্টে এখন বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ভরে গেছে।

এ বছর অনলাইন লড়াই শুধু সংসদ নির্বাচনেই সীমাবদ্ধ নয়। ১২ ফেব্রুয়ারি একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। এতে ভোটাররা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ নামে একটি সংস্কার প্যাকেজের পক্ষে বা বিপক্ষে মত দেবেন। নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার বলছে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, সেগুলো স্থায়ী করতে এই সনদ অনুমোদন জরুরি।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটি। যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭৪ শতাংশ। ডেটা রিপোর্টাল নামের বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে প্রায় ৬ কোটি ৪০ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারী, ৫ কোটি ইউটিউব ব্যবহারকারী এবং ৯২ লাখ ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারী রয়েছে। পাশাপাশি ১৮ বছরের বেশি বয়সী ৫ কোটি ৬০ লাখের বেশি টিকটক ব্যবহারকারী আছেন। তবে এক্সে বাংলাদেশিদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম, প্রায় ১৭ লাখ ৯০ হাজার।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বিশাল ডিজিটাল উপস্থিতিই রাজনৈতিক দলগুলোকে অনলাইনে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী করছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটারের ৪৩ দশমিক ৫৬ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৩৭ বছরের মধ্যে। এই তরুণদের অনেকেই প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন, অথবা শেখ হাসিনার শাসনামলে নিজেদের কার্যত ভোটাধিকারহীন মনে করতেন। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন অনিয়ম, বিরোধী দমন ও বয়কটের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল। এসব অভিজ্ঞতাই তরুণদের হতাশা থেকে ভোট দেওয়ার দৃঢ় সংকল্পে পরিণত করেছে।

পিউ রিসার্চের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে নির্বাচনের খবর পান, যা তাঁদের রাজনৈতিক মেরুকরণ বাড়িয়ে দেয়। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় বলা হয়েছে, অ্যালগরিদমের সহায়তায় কোটি কোটি মানুষকে প্রভাবিত করে নির্বাচনের ফলাফল বদলে দেওয়া সম্ভব। স্ট্যানফোর্ডের গবেষকেরা দেখিয়েছেন, ভোটাররা সত্যের চেয়ে নিজের দলের পছন্দকে বেশি গুরুত্ব দেন। ফলে মানুষ এমন এক ‘ইকো চেম্বারে’ বাস করে, যেখানে নিজের বিশ্বাসের প্রতিফলনই বেশি দেখতে চায়।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে নিষিদ্ধ থাকায় ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। ফলে নির্বাচন কার্যত দ্বিমুখী প্রতিযোগিতায় রূপ নিয়েছে। একদিকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট, অন্যদিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট, যেখানে এনসিপিও রয়েছে।

বিএনপি নেতা মাহদী আমিন আল জাজিরাকে বলেন, তাঁদের দল অনলাইনে নীতিগত প্রস্তাব তুলে ধরার পাশাপাশি ভোটারদের মতামত সংগ্রহে গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, বিএনপির শাসন পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং প্রতিটি খাতে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে।

অনলাইন সম্পৃক্ততা বাড়াতে বিএনপি ‘MatchMyPolicy.com’ নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে। জামায়াতের রয়েছে ‘janatarishtehar.org’। জামায়াত নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, তাঁদের অনলাইন প্রচারের লক্ষ্য নিজেদের বিশ্বাসের বয়ান তুলে ধরা এবং প্রতিযোগিতাকে বুদ্ধিবৃত্তিক পর্যায়ে রাখা।

বিশ্লেষকদের মতে, এখনই স্পষ্ট বিজয়ী বলা কঠিন। ওয়েস্টার্ন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মুবাশার হাসান বলেন, বিএনপি ছোট ভিডিও ও গ্রাফিক কার্ডে প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছে, যেমন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘ফার্মার কার্ড’। অন্যদিকে জামায়াতপন্থী কনটেন্টে বিএনপিকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তুলনার প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে।

ফ্যাক্টচেক সংস্থা দ্য ডিসেন্টের সম্পাদক কদরউদ্দিন শিশির বলেন, জামায়াতঘেঁষা অনলাইন প্রচারণায় ভারতবিরোধী বার্তাও গুরুত্ব পাচ্ছে। শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের আগস্টে ভারতে পালিয়ে যান এবং সেখানেই আছেন। এই বিষয়টি মিম ও কপিক্যাট ফরম্যাটে তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে।

এ বছর অনলাইন লড়াই দল বনাম দলেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নকে ঘিরে গণভোটকেন্দ্রিকও। অন্তর্বর্তী সরকার সনদের পক্ষে ডিজিটাল প্রচার চালাচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, মূলধারার গণমাধ্যমের প্রভাব কমে যাওয়ায় অনলাইন প্রচার এখন জরুরি।

জুলাই সনদে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা সীমিত করা, নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর তদারকি, নির্বাচনে কারচুপি ঠেকানো, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং স্বৈরতন্ত্র ঠেকাতে সাংবিধানিক সংস্কারের প্রস্তাব রয়েছে। জুলাই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠা এনসিপিও অনলাইনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে।

বিশ্লেষক ও কনটেন্ট নির্মাতারা বলছেন, মাঠের প্রচার এখনো গুরুত্বপূর্ণ। জামায়াতপন্থী ভাইরাল গানের নির্মাতা হাসান আল-বান্না বলেন, সরাসরি প্রচারের সঙ্গে এখনো কোনো কিছুর তুলনা চলে না। তবে তাঁর মতে, ‘অনলাইন প্রচার মানুষ কী নিয়ে কথা বলবে, সেই বিষয়টি ঠিক করে দেয়।’ বাংলাদেশের মতো তরুণ ভোটারসংখ্যা বেশি এমন দেশে এই আলোচনাই জয় ও পরাজয়ের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।

তবে এর একটি বিপরীত দিকও আছে। অপতথ্য ও অপপ্রচারের সুযোগ এখন অনেক বেড়েছে। রাজনৈতিক নেতাদের ব্যক্তিগত চরিত্র নিয়ে আক্রমণ, তাঁদের বিরুদ্ধে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো—এসব এখন বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুবই সাধারণ ঘটনা। এ ছাড়া কারও দুর্বলতার জায়গা লক্ষ্য করে অ্যালগরিদমের কৌশলে মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। যদিও বাংলাদেশে এখনো এ ধরনের মাইক্রো-লেভেলের প্রচেষ্টা বড় পরিসরে শুরু হয়নি।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে একবার বলেছিলেন, ‘এই প্ল্যাটফর্মগুলো এমনভাবে তৈরি, যেখানে ধ্রুব সত্যের চেয়ে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব ও ডাহা মিথ্যা অনেক সহজে ছড়িয়ে পড়ে। বাস্তব আর অলীক—এই দুয়ের পার্থক্য বোঝার যে ক্ষমতা আমাদের ছিল, এসব মাধ্যম ধীরে ধীরে সেটিকে দুর্বল করে দিচ্ছে।’

তাঁর এই বক্তব্যের সত্যতা মিলেছে একাধিক গবেষণায়। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষকেরা ২০০৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত টুইটারের প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার খবর নিয়ে বড় পরিসরের গবেষণা চালান। সেখানে দেখা যায়, সত্য খবরের তুলনায় মিথ্যা বা ভুয়া খবর প্রায় ছয় গুণ দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। সত্য খবর খুব কম ক্ষেত্রেই ১ হাজার মানুষের বেশি পৌঁছাতে পারে, কিন্তু শীর্ষ ১ শতাংশ ভুয়া খবর সহজেই ১ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ভুয়া খবরের সঙ্গে বিস্ময় ও ঘৃণার মতো আবেগ বেশি জড়িয়ে থাকে, যা ভোটারদের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলে।

লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের ‘ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট’ শীর্ষক গবেষণায় দেখা গেছে, ভোটারদের ডিজিটাল আচরণের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচনের ফলও বদলে যেতে পারে। একজন ভোটার ইন্টারনেটে কী খুঁজছেন বা কোন পোস্টে লাইক দিচ্ছেন, তার ভিত্তিতে তাঁকে প্রতিদিন গড়ে ৪ থেকে ৭টি রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন দেখানো হয়। গবেষণায় বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচার মূলত সেই ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোটারকে লক্ষ্য করে, যাঁরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সিদ্ধান্তহীনতায় থাকেন। এই তথ্যের ভিত্তিতেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারে মাইক্রো-টার্গেটিংয়ে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছিল।

বারাক ওবামার সাবেক উপদেষ্টা অ্যালেক রস বলেন, ‘আপনার অজান্তেই পকেটে থাকা ওই ছোট যন্ত্রটি আপনার রাজনৈতিক অভিভাবক হয়ে উঠেছে। আপনি কী ভাবছেন, কোন আবেগে নাড়া খাচ্ছেন—সবই তার জানা। আর এই তথ্য কাজে লাগিয়ে কেউ নীরবে দূর থেকে ঠিক করে দিচ্ছে, আগামী ব্যালট পেপারে আপনি কার নামের পাশে সিল দেবেন।’ 

আল জাজিরার নিবন্ধ অবলম্বনে লিখেছেন আব্দুর রহমান 

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন