[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

নেত্রকোনায় প্রকৌশলীর ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশঃ
অ+ অ-
নেত্রকোনা সদর উপজেলায় এলজিইডির কর্মকর্তার ঘুষ নেওয়ার দাবি করে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর একটি দৃশ্য | ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

নেত্রকোনা সদর উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) একজন উপসহকারী প্রকৌশলী প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়েছে। ২ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিও নিয়ে এখন আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

অভিযুক্ত প্রকৌশলীর নাম মো. ইমরান হোসেন। তিনি ফেব্রুয়ারি ২০২২ থেকে সদর উপজেলায় কর্মরত।

ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি কার্যালয়ের টেবিলে বসে এক ঠিকাদারের সঙ্গে ঘুষের টাকা নিয়ে দর-কষাকষি করছেন। একপর্যায়ে ঠিকাদার তাঁকে ৫০০ টাকার নোটের একটি বান্ডিল দেন। টাকা কম হওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বান্ডিলটি একাধিকবার ঠিকাদারের দিকে ছুড়ে মারেন। পরে পরিমাণ বাড়ানো হলে তা তাঁর প্যান্টের পকেটে রাখেন।

জানা গেছে, সদর উপজেলার উত্তর বিশিউড়া এলাকার একটি রাস্তার কাজের বিল নিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মামুন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মামুন এই টাকা দিয়েছিলেন। তবে ঠিক কোন তারিখে টাকা দেওয়া হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছিল না।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) ও সদর উপজেলার গজীনপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. সোহাগ মিয়া অভিযোগ করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। গত সোমবার বিকেলে তিনি জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, একই কর্মস্থলে একজন কর্মকর্তা তিন বছরের বেশি দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। কিন্তু মো. ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২০২২ থেকে সদর উপজেলায় কাজ করছেন। ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪-এ স্থানীয় সরকার বিভাগের আদেশে তাঁকে জেলা পরিষদে বদলি করা হয়, তবে যোগদান না করে তিনি এখনও সদর উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছেন।

দুপুর ১২টার দিকে সদর উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ে গেলে ইমরান হোসেনকে পাওয়া যায়নি। একাধিকবার ফোন করার চেষ্টা করলেও ফোন বন্ধ ছিল। ভিডিওতে থাকা ঠিকাদার মামুনের ফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে। এলজিইডির প্রকৌশলী মো. সোয়াইব জানান, ‘ভিডিওটির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভিডিওটি কতদিন আগের, তা সঠিকভাবে বলা যায় না, তবে প্রায় দুই মাস আগে হতে পারে।’

নেত্রকোনা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন