[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

মুক্তিযোদ্ধা ভাতা বাড়ছে ৫ হাজার টাকা

প্রকাশঃ
অ+ অ-
প্রতীকী ছবি

খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মাসিক ভাতা ৫ হাজার টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা আগের মতোই বহাল থাকবে।

এছাড়া, আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ভাতা ও উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর জন্য ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে বলে জানা গেছে।

আজ রোববার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি–সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধীসহ মোট ১৫টি কর্মসূচির নতুন হার ও পরিসর নির্ধারণ করা হয়েছে। সভায় অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। এর মধ্যে পেনশন বাবদ বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। পেনশন ছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর জন্য বরাদ্দ ৮১ হাজার ২৯৭ কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

বৈঠকে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের মাসিক সম্মানী ভাতা এবং ভিজিএফ কার্যক্রমকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি–সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি, আগামী অর্থবছরে ২ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৪ জেলেকে নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত করে মোট ১৫ লাখ জেলেকে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

অর্থ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় বয়স্ক ভাতা কার্যক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যা ১ লাখ বাড়িয়ে ৬২ লাখ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৫৯ লাখ ৯৫ হাজার ব্যক্তি মাসে ৭০০ টাকা এবং ৯০ বছরের বেশি বয়সী ২ লাখ ৫ হাজার ব্যক্তি মাসে ১ হাজার টাকা ভাতা পাবেন।

একই মন্ত্রণালয়ের আওতায় বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা কার্যক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ লাখ। এর মধ্যে ২৮ লাখ ৭৫ হাজার নারী মাসিক ৭০০ টাকা এবং ৯০ বছরের বেশি বয়সের ২৫ হাজার নারী মাসিক ১ হাজার টাকা ভাতা পাবেন।

প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যা দেড় লাখ বাড়িয়ে ৩৬ লাখ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৩৫ লাখ ৮১ হাজার ৯০০ জন মাসিক ৯০০ টাকা এবং ১৮ হাজার ১০০ জন মাসিক ১ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। পাশাপাশি, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বৃত্তির হার সব স্তরে ৫০ টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে।

অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যা ৭ হাজার বাড়িয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩৮৯ জন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেকের মাসিক ভাতা ৬৫০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা করা হয়েছে। অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও মেধাবৃত্তির হারও নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত, জন্মগত হৃদ্‌রোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমে উপকারভোগীর সংখ্যা ৫ হাজার বাড়িয়ে ৬৫ হাজার করা হয়েছে। এককালীন চিকিৎসার সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়িয়ে ১৮ লাখ ৯৫ হাজার ২০০ জন করা হয়েছে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে সুবিধাভোগী পরিবারের সংখ্যা বাড়িয়ে ৬০ লাখ করা হয়েছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন