ঢাবি শিক্ষার্থীর মায়ের অভিযোগ প্রত্যাহার, নেপথ্যে চাপের অভিযোগ
প্রকাশঃ
![]() |
| ঢাবিতে মারধরের ঘিরে রাহিদের মা পারভীন আক্তার অভিযোগপত্র জমা দেন | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় দেওয়া অভিযোগটি তুলে নিয়েছেন তাঁর মা। মঙ্গলবার রাতে শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অভিযান) খোকন মিয়া এবং ভুক্তভোগীর মা পারভীন আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে সোমবার রাতে পারভীন আক্তার বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। ওই অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছিল। তবে ঠিক কী কারণে বা কোন পরিস্থিতিতে এক দিনের মাথায় অভিযোগটি প্রত্যাহার করা হলো, সে বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে পরিষ্কার করে কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুজন শিক্ষার্থী দাবি করেছেন, পরিবারের ওপর চাপ দিয়ে এই অভিযোগটি প্রত্যাহার করিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগপত্রে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল তারা হলেন— মো. সাইফুল্লাহ (ব্যবস্থাপনা বিভাগ, মুহসীন হল), হাসিব আল ইসলাম (সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল), সাঈদ আফ্রিদী (সংস্কৃত বিভাগ, মুহসীন হল), রিয়াদ মাল (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, সূর্যসেন হল), সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভ (দর্শন বিভাগ, সূর্যসেন হল), মো. সাকিব (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল), ফোরকান উদ্দীন মাহি (সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল), বায়েজিদ হাসান (দর্শন বিভাগ, মুহসীন হল), হিমেল (স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগ, সূর্যসেন হল) এবং সজীব হোসেন (ফলিত গণিত বিভাগ, শহীদুল্লাহ হল)। অভিযুক্তরা সবাই ২০২০-২১ থেকে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
অভিযোগে বলা হয়েছে, রাহিদকে প্রথমে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শহীদ মিনারের সামনে এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস এম হলের সামনে পেটানো হয়। সবশেষে শাহবাগ থানার সামনেও তাঁকে আরেক দফা মারধর করা হয়। এতে রাহিদ গুরুতর আহত হন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রাহিদের মাথা লক্ষ্য করে লোহার রড ও স্টিলের পাইপ দিয়ে আঘাত করেন। এতে রাহিদের ডান হাতের আঙুল ভেঙে যায় এবং বাঁ কানে গুরুতর আঘাত পান। তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওই সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রাহিদের কাছে থাকা একটি স্মার্টফোন, নগদ ৫ হাজার টাকা, মোটরসাইকেল ও টাকা তোলার কার্ড ছিনিয়ে নেন।
ভুক্তভোগী রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র। সোমবার ভোরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে তাঁকে শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রেখে যায় অভিযুক্তরা। ঘটনার পর শাহবাগ থানা-পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের সহায়তায় রাহিদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
রাহিদের দাবি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতা এই মারধরের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন।
এর আগে সোমবার রাতে পারভীন আক্তার বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। ওই অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছিল। তবে ঠিক কী কারণে বা কোন পরিস্থিতিতে এক দিনের মাথায় অভিযোগটি প্রত্যাহার করা হলো, সে বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে পরিষ্কার করে কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুজন শিক্ষার্থী দাবি করেছেন, পরিবারের ওপর চাপ দিয়ে এই অভিযোগটি প্রত্যাহার করিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগপত্রে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল তারা হলেন— মো. সাইফুল্লাহ (ব্যবস্থাপনা বিভাগ, মুহসীন হল), হাসিব আল ইসলাম (সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল), সাঈদ আফ্রিদী (সংস্কৃত বিভাগ, মুহসীন হল), রিয়াদ মাল (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, সূর্যসেন হল), সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভ (দর্শন বিভাগ, সূর্যসেন হল), মো. সাকিব (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল), ফোরকান উদ্দীন মাহি (সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল), বায়েজিদ হাসান (দর্শন বিভাগ, মুহসীন হল), হিমেল (স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগ, সূর্যসেন হল) এবং সজীব হোসেন (ফলিত গণিত বিভাগ, শহীদুল্লাহ হল)। অভিযুক্তরা সবাই ২০২০-২১ থেকে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
অভিযোগে বলা হয়েছে, রাহিদকে প্রথমে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শহীদ মিনারের সামনে এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস এম হলের সামনে পেটানো হয়। সবশেষে শাহবাগ থানার সামনেও তাঁকে আরেক দফা মারধর করা হয়। এতে রাহিদ গুরুতর আহত হন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রাহিদের মাথা লক্ষ্য করে লোহার রড ও স্টিলের পাইপ দিয়ে আঘাত করেন। এতে রাহিদের ডান হাতের আঙুল ভেঙে যায় এবং বাঁ কানে গুরুতর আঘাত পান। তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওই সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রাহিদের কাছে থাকা একটি স্মার্টফোন, নগদ ৫ হাজার টাকা, মোটরসাইকেল ও টাকা তোলার কার্ড ছিনিয়ে নেন।
ভুক্তভোগী রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক ছাত্র। সোমবার ভোরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে তাঁকে শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রেখে যায় অভিযুক্তরা। ঘটনার পর শাহবাগ থানা-পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমের সহায়তায় রাহিদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
রাহিদের দাবি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতা এই মারধরের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন।

Comments
Comments