[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

সাংবাদিক আনিস আলমগীর এবার দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার

প্রকাশঃ
অ+ অ-
সাংবাদিক আনিস আলমগীর | ছবি: আনিস আলমগীরের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে নেওয়া

সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বুধবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। পরে বেলা ১১টার দিকে তাঁকে হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে, দুই হাতে হাতকড়া লাগিয়ে আদালতে আনা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে ১৫ থেকে ২০ জন পুলিশ সদস্য ছিলেন। কাঠগড়ায় তোলার আগে হেলমেট, হাতকড়া ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট খুলে রাখা হয়। শুনানি চলাকালে তিনি কাঠগড়ার পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে শুনানি শুরু হয়। আনিস আলমগীরের পক্ষে আইনজীবী ওকালতনামা গ্রহণ করেন। শুনানি শেষে আদালত তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। পরে তাঁকে আবার হাজতখানায় নেওয়া হয়।

২৫ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান এ মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। এর আগে ১৫ জানুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৪ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮৯ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া পারিবারিক ও অন্যান্য খরচ হিসাব করা হয়েছে ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এতে মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৯ টাকা।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আনিস আলমগীরের বৈধ আয়ের উৎস থেকে মোট আয় পাওয়া গেছে ৯৯ লাখ ৯ হাজার ৮৫১ টাকা। এর মধ্যে অতীত সঞ্চয় ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮২১ টাকা, টক শো ও কনসালটেন্সি থেকে আয় ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ বাবদ ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ টাকা অন্তর্ভুক্ত।

ঘোষিত ও গ্রহণযোগ্য আয়ের তুলনায় তাঁর ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার সম্পদ বেশি পাওয়া গেছে, যা মোট অর্জিত সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ। এ অর্থকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগপত্রে।

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাবাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ১৫ ডিসেম্বর তাঁকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তোলা হয়।

ওই দিন আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন করা হয়। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর পর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। 

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন