[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

চট্টগ্রামে তিন শতাধিক ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা, তালিকায় বড় সাজ্জাদ থেকে সাবেক মেয়র

প্রকাশঃ
অ+ অ-
চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা আ জ ম নাছির উদ্দিন | ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম শহরে ৩৩০ জন ‘দুষ্কৃতকারী’ অবস্থান ও প্রবেশ করতে পারবে না বলে ঘোষণা করেছে পুলিশ। নগর পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তালিকায় রয়েছে ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদ, কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম শহরের শান্তি ও জননিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে এসব দুষ্কৃতকারীকে শহরে অবস্থান ও প্রবেশ করা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ থাকবে।

তালিকায় আরও রয়েছেন রাউজানের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর, সাইফুল আলম লিমন, এবং সাবেক কাউন্সিলরদের মধ্যে গাজী শফিউল আজিম, শৈবাল দাশ, সাহেদ ইকবাল, জহরুল আলম জসিম, মোহাম্মদ হোসেন হিরণ, নাজমুল হক, হাসান মুরাদ, গিয়াস উদ্দিন, নূর মুস্তাফা, আবুল হাসনাত বেলাল, মোবারক হোসেনসহ নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ-সমর্থিত সাবেক কাউন্সিলর।

সন্ত্রাসীদের তালিকায় রয়েছেন বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী, তার সহযোগী সাজ্জাদ হোসেন (ছোট সাজ্জাদ), মোবারক হোসেন, মোহাম্মদ রায়হান, খোরশেদ, ছোট সাজ্জাদের স্ত্রী তামান্না শারমিন, ইসমাইল হোসেন, শহিদুল ইসলাম বুইস্যা, নুরুল আলম উরফে হামকা আলম।

পুলিশ জানিয়েছে, সাজ্জাদ ও শহিদুল ইসলামসহ এসব সন্ত্রাসী নগরে চাঁদা আদায় ও আধিপত্য বিস্তারের জন্য প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার করছে এবং খুনের ঘটনাও ঘটাচ্ছে। এছাড়া, নগরের বিভিন্ন এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হঠাৎ মিছিল করে যাচ্ছেন।

এদিকে, তালিকায় নগর বিএনপির কিছু নেতা-কর্মীর নামও রয়েছে। এর মধ্যে নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শওকত আজম খাজা, বাকুলিয়া থানা বিএনপির নেতা মোর্শেদ খান, কোতোয়ালির যুবদল নেতা হাসান, পাহাড়তলীর মাসুমের নাম উল্লেখ রয়েছে।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার অপরাধ অভিযান ফয়সাল আহম্মেদ জানিয়েছেন, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যে ও গোপনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ করার চেষ্টা করছে। তাই তাদের ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন