[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীর মিছিলে হামলা, অভিযোগ বিএনপি সমর্থকদের বিরুদ্ধে

প্রকাশঃ
অ+ অ-
মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মিছিলে হামলা। শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের সোনালি মার্কেট এলাকায় | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

মুন্সিগঞ্জ-৩ (সদর ও গজারিয়া) আসনে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থকদের মিছিলে হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি প্রার্থী কামরুজ্জামান রতনের সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ছয়জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে গজারিয়া উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের সোনালি মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহত ব্যক্তিরা হলেন মো. মামুন (৪৭), মানিক মিয়া (৪২), মো. আল আমিন (২৫), স্বপন সরকার (৫৫), বাবু (৪০) ও মো. জয়নাল (৩৮)। আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

মহিউদ্দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তিনি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব ছিলেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় কয়েক দিন আগে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। আসনে বিএনপির প্রার্থী কামরুজ্জামান রতন দলের কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ–বিষয়ক সম্পাদক।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শুক্রবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মহিউদ্দিনের সমর্থনে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে শুরু হয়ে গজারিয়া গার্লস স্কুল পার হয়ে সোনালি মার্কেট এলাকায় যায়। এ সময় ২০–২৫ জন লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং ছয়–সাতজন আহত হন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিনের সমর্থক হুমায়ন খান বলেন, ‘ন্যক্কারজনক এই হামলার নিন্দা জানাই। কামরুজ্জামানের সমর্থকেরা আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমাদের কি স্বাধীনভাবে প্রচার-প্রচারণা চালানোর অধিকার নেই? আমরা প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।’

মো. মহিউদ্দিন বলেন, ‘জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। প্রতিপক্ষ বুঝেছে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে আমার জনসমর্থন অনেক বেশি। তাই তারা প্রথম থেকেই মারমুখী আচরণ করছে।’

হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির প্রার্থী কামরুজ্জামান রতন বলেন, ‘আমি আজ মুন্সিগঞ্জ শহরে প্রচার–প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলাম। যাঁরা এই কাজটি করেছে, তারা খারাপ কাজ করেছে। এর দায়ভার আমি বা আমার দল নেব না, যারা করেছে, তাদেরই নিতে হবে।’

এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাসান আলী বলেন, ‘আমরা খবর পেয়েছি। খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন