[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়া সেরেছেন তারেক রহমান

প্রকাশঃ
অ+ অ-
ভোটার নিবন্ধন ও এনআইডি পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেন তারেক রহমান। ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

১৭ বছর পর দেশে ফিরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভোটার তালিকায় নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করলেন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেন।

লন্ডন থেকে ফেরার দুদিন পর, আজ শনিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত শেষে তিনি নেতা–কর্মীদের সঙ্গে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে যান। সেখানে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হওয়া ও জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করেন।

বিএনপি আগে থেকেই জানিয়েছিল যে, ২৭ ডিসেম্বর তারেক রহমান ভোটার হওয়ার প্রয়োজনীয় কাজ করবেন। নির্বাচন কমিশনও সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়েছিল।

আজ দুপুর ১টার দিকে তিনি নির্বাচন ভবনের পেছনে থাকা নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে যান। ভবনের নিচ তলায় একটি কক্ষে প্রবাসী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের এনআইডি সংক্রান্ত সেবা দেওয়া হয়। সেখানে ছবি তোলা, দশ আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশ (চোখের মণির ছাপ) এবং স্বাক্ষর নেওয়ার কাজ সম্পন্ন করেন তিনি। এসময় নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে, শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনআইডি উইং ডিজি এ এস এম হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের বলেন, ভোটার হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ছবি, চোখের আইরিশ এবং আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়। এগুলো ইসির ডাটাবেজে আপলোড করা হয় এবং ডাটা সেন্টারে থাকা ভোটারদের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। এরপর একটি নাম্বার জেনারেট করা হয়। এটি সফটওয়্যারে করা হয়। এ কাজে কত সময় লাগবে তা ঠিকভাবে বলা যায় না। কারো ক্ষেত্রে এটি ৫ ঘণ্টা, ৭ ঘণ্টা বা ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় নিতে পারে, আবার কারো ক্ষেত্রে একটু কম সময় লাগে।

ভোটার হওয়া ও জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সারতে আজ শনিবার দুপুরে ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে তারেক রহমান | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

এক-এগারো-পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৮ সালে বাংলাদেশে প্রথম ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরি হয়। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান কারামুক্ত হয়ে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর লন্ডনের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন। তখন তিনি বিদেশে থাকায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি। এরপর আওয়ামী লীগের শাসনকালে দেশে না আসায় তিনি ভোটারও হননি।

গত বছর জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে, ভোটগ্রহণ হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।

নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করেছে। তবে আইনে বলা আছে, ইসি যে কোনো সময় ভোটার হওয়ার যোগ্য ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।

তারেক রহমান আগামী নির্বাচনে তাঁর পৈতৃক এলাকা বগুড়ার সদর (বগুড়া–৬) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তাঁর পক্ষে স্থানীয় নেতারা ইতিমধ্যেই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। 

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতে আজ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তারেক রহমান | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন