[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

মুক্তিযুদ্ধের উপ সেনাপতি এ কে খন্দকারের প্রয়াণ

প্রকাশঃ
অ+ অ-
এ কে খন্দকার বীর উত্তম 

বিজয়ের মাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান বীর সেনানী এ কে খন্দকার বীর উত্তম প্রয়াত হয়েছেন।

আজ শনিবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বার্ধক্যের কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন), আইএসপিআর জানিয়েছে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।

মুক্তিবাহিনীর উপপ্রধান (ডেপুটি চিফ অব স্টাফ) হিসেবে তিনি মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং বাংলাদেশের প্রথম বিমানবাহিনী প্রধান ছিলেন। পরে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে দুই দফায় মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

এ কে খন্দকারের জন্ম ১৯৩০ সালে রংপুরে বাবার কর্মস্থলে, তবে তাঁর আদি নিবাস পাবনার বেড়া উপজেলার পুরান ভারেঙ্গা গ্রামে। ১৯৪৭ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৪৯ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৫২ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। গ্রুপ ক্যাপ্টেন হিসেবে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন। মুক্তিযুদ্ধের আগে তিনি পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর দ্বিতীয় প্রধান ছিলেন।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক মুহূর্তে তিনি মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। স্বাধীনতার পর প্রথম বিমানবাহিনী প্রধান নিযুক্ত হন এবং তাঁর নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বিমানবাহিনী পুনর্গঠিত হয়। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বিমানবাহিনীর প্রধান ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের অব্যবহিত অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালে ‘বীর উত্তম’ খেতাব এবং ২০১১ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন। এছাড়া তিনি সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

রাজনীতিতে তিনি এইচ এম এরশাদের সরকারে প্রথমবার মন্ত্রী হয়েছিলেন এবং ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য হওয়ার পর পুনরায় মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

এ কে খন্দকারের লেখা ‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের আলোচিত একটি গ্রন্থ।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন