[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

নড়াইলে শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

প্রকাশঃ
অ+ অ-
শিশু ধর্ষণ | প্রতীকী ছবি

নড়াইল সদর উপজেলায় শ্রেণিকক্ষে এক শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম।

এর আগে গত মঙ্গলবার ওই ঘটনায় শিক্ষকের বিচারের দাবিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়টির সামনে মানববন্ধন করে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম তরিকুল ইসলাম। তাঁর বাড়ি নড়াইল সদর উপজেলায়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবারের অভিযোগ, চলতি মাসের ১৫ তারিখ বিকেলে ছুটির পর একটি শ্রেণির চার শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে প্রাইভেট পড়াচ্ছিলেন তরিকুল। এ সময় এক শিশুশিক্ষার্থী মায়ের কাছে বাইরে যায়। দুই শিক্ষার্থীকে জাতীয় পতাকা খুলতে পাঠান তরিকুল। ওই ছাত্রী কক্ষে একা হয়ে পড়ে। এই সুযোগে কক্ষের দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান তরিকুল। এ সময় ওই শিশুর চিৎকার ও কান্নার শব্দে অন্য সহপাঠীরা ছুটে যায়। তারা দরজা ধাক্কা দিয়ে খুললে ওই শিশুশিক্ষার্থীকে ছেড়ে দেন তরিকুল।

শিক্ষকের এমন কর্মকাণ্ড দেখে ফেলায় কাউকে না জানানোর জন্য তাদের কাছে অনুরোধ করেন ওই শিক্ষক। ওই শিশুশিক্ষার্থী বাড়িতে গিয়ে তার মাকে বিষয়টি জানায়। তবে সম্মানহানির ভয়ে তাঁরা চুপ থাকেন। ঘটনার তিন দিন পর ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের পুরুষ সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। বিষয়টিকে ধামাচাপা দিতে ও ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তরিকুল স্থানীয় পর্যায়ে তদবির চালান। পরে ওই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার রাতে সদর থানায় একটি মামলা করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয়ের সামনে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। মানববন্ধনে তাঁরা বলেন, ‘শিশুদের মানুষ করার জন্য বিদ্যালয়ে পাঠান অভিভাবকেরা। কিন্তু সেখানে গিয়ে যদি শিক্ষকের দ্বারা এমন ঘটনা ঘটে—এটি মানা যায় না। শিশুরা তাহলে কার কাছে নিরাপদ? কোন ভরসায় তাদের বিদ্যালয়ে পাঠাবেন অভিভাবকেরা?’

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সাত দিনের ছুটি নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন তরিকুল। মামলার হওয়ার পর গা ঢাকা দিয়েছেন তিনি। তবে মামলা হওয়ার আগে তিনি দাবি করেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্য নয়। তিনি নির্দোষ। ষড়যন্ত্র করে তাঁর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তোলা হয়েছে।

এ ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন নড়াইল সদর থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম। তিনি বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন