[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

প্রাইভেট কারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের তল্লাশি, মাদকসহ তিনজনকে সেনাবাহিনীর কাছে সোপর্দ

প্রকাশঃ
অ+ অ-

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে একটি প্রাইভেট কারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা-কর্মীরা তল্লাশি চালিয়ে ৪৮ বোতল ফেনসিডিলসহ তিনজনকে আটক করে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেছে | ছবি: সেনাবাহিনীর সৌজন্যে

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা-কর্মীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মহাসড়কের লোহাগাড়ার চুনতি বাজারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৪৮ বোতল ফেনসিডিলসহ তিনজনকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেছেন তাঁরা। পরে একটি মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়া এই তিনজন হলেন লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের হোসেন আলী মাতব্বর বাড়ি এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে নাজিম উদ্দিন (৪৫), একই উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সুখছড়ি এলাকার মৃত হাছি মিয়ার ছেলে রমিজ উদ্দিন (৩৫) এবং মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানার ভবেরচর এলাকার শহিদ উল্লাহর ছেলে তাজুল ইসলাম। এর মধ্যে রমিজ রমিজ উদ্দিন লোহাগাড়া থানা-পুলিশের সোর্স বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক এই নেতাদের দাবি, এ ঘটনায় লোহাগাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন জড়িত।

এদিকে তল্লাশির সময় ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতারা। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘লাইভ’ করেছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, তল্লাশি চলাকালে ৩০ থেকে ৪০ জন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ভিডিওতে রমিজ উদ্দিনকে জবানবন্দি দিতে দেখা যায়। এতে তিনি স্বীকার করেন, এসআই কামাল হোসেন ফেনসিডিলের বোতলগুলো দিয়েছেন।

জানতে চাইলে লোহাগাড়ার বাসিন্দা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাবেক আহ্বায়ক জোবাইর হোসেন বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় ছাত্র-জনতা মহাসড়কের কয়েকটি পয়েন্টে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে পাহারা দেওয়া শুরু করে। রাত দেড়টার দিকে একটি প্রাইভেট কার চুনতি বাজারে পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন ঘিরে ফেলে। ফেসবুক লাইভে গিয়ে গাড়িটি তল্লাশি করা হয়। এ সময় ৪৮ বোতল ফেনসিডিলসহ ৩ জনকে আটক করে সেনাবাহিনীর কাছে সোপর্দ করা হয়। পরে তাদের লোহাগাড়া থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

জোবাইর হোসেন আরও বলেন, এসব মাদক পাচারের সঙ্গে এসআই কামাল হোসেন জড়িত। তিনি আরেকটি গাড়িতে কক্সবাজারে যাচ্ছিলেন বলে তাঁদের ধারণা।

মাদক পাচারের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে এসআই কামাল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। পরে লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) রবিউল ইসলাম খান  বলেন, গ্রেপ্তার তিনজনের নামে থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়েছে। পরে তাঁদের চট্টগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে জানানো হয়েছে। তারা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন