[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেল শান্তিনিকেতন

প্রকাশঃ
অ+ অ-

কলকাতা থেকে এক শ মাইল উত্তরে অবস্থিত শান্তিনিকেতন | ফাইল ছবি

হিন্দুস্তান টাইমস: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতন বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেল। আজ রোববার জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো এ ঘোষণা দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (আগের নাম টুইটার) ছবিসহ একটি পোস্ট দিয়ে এ কথা জানায় ইউনেসকো। তাতে বলা হয়, ‘ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে ভারতের শান্তিনিকেতন। অভিনন্দন!’

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় অবস্থিত শান্তিনিকেতনকে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দিতে বহুদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছিল ভারত সরকার। অবশেষে আজ সেই স্বীকৃতি দিল ইউনেসকো।

শান্তিনিকেতন যে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে, কয়েক মাস ধরেই অবশ্য সে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। বিশেষ করে কয়েক মাস আগে ফ্রান্সভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অন মনুমেন্টস অ্যান্ড সাইটসের (আইসিওএমওএস) পক্ষ থেকে শান্তিনিকেতনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেওয়ার সুপারিশ করার পর থেকে এ আলোচনা জোরালো হয়।

গত শুক্রবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ইউনেসকোর সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির ৪৫তম বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার দুই দিন পর গতকাল শান্তিনিকেতনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানাল ইউনেসকো।

শান্তিনিকেতনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেসকো বলছে, ‘কলকাতা থেকে এক শ মাইল উত্তরে অবস্থিত শান্তিনিকেতন মূলত একটি আশ্রম। এটি প্রতিষ্ঠা করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাবা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে যেকোনো মানুষ সেখানে গিয়ে সৃষ্টিকর্তার আরাধনা করতে পারতেন।’

১৯০১ সালে শান্তিনিকেতনে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এরপর ১৯২১ সালে বিশ্বভারতী নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় চালু করা হয়। শান্তিনিকেতনেই জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

শান্তিনিকেতন বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস বলছে, ‘বাংলার জন্য এ এক গর্বের মুহূর্ত। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতন। সংস্কৃতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় কবিগুরুর যে অবদান, এর মাধ্যমে তারই স্বীকৃতি দেওয়া হলো। আসুন, আমরা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এই অমূল্য সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ করি।’

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন