[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের গ্রেপ্তার নিয়ে আসকের উদ্বেগ

প্রকাশঃ
অ+ অ-
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের লোগো

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক, হেফাজতে নেওয়া, গ্রেপ্তার দেখানো এবং আদালতে হাজির করার পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। বৃহস্পতিবার সংস্থাটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আসক।

জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গত মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

বিবৃতিতে একজন নাগরিককে গভীর রাতে আটক করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। এতে বলা হয়, পরিস্থিতি বিবেচনায় দিনের বেলা আরও স্বচ্ছ ও নিয়ম মেনে গ্রেপ্তারের কাজ শেষ করা যেত কি না, তা পরিষ্কার করা দরকার। কারণ, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।

আসক আরও জানায়, শিরীন শারমিনকে আদালতে হাজির করার সময় গণমাধ্যমে বিশৃঙ্খলার যে চিত্র দেখা গেছে, তা ন্যূনতম শৃঙ্খলা ও মর্যাদার সঙ্গে মেলে না। আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার অভাব থাকায় তাঁকে হুড়োহুড়ির মধ্যে পড়তে হয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিচারপ্রার্থী প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্বের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

গ্রেপ্তার ও হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের প্রচলিত আইন, ফৌজদারি কার্যবিধি এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলা জরুরি বলে মনে করে আইন ও সালিশ কেন্দ্র। বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, এসব ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিচ্যুতি বা শিথিলতা ন্যায়বিচারের মূল নীতির বিরোধী এবং এটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকারকে ক্ষুণ্ন করতে পারে।

বিবৃতিতে মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে, রাষ্ট্রের প্রতিটি শাখা—আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও বিচার বিভাগ নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষায় সংবিধান অনুযায়ী দায়বদ্ধ। সম্প্রতি জনগণের সমর্থনে ক্ষমতায় আসা সরকারের জন্য এই দায়িত্ব আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যখন নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে আইনের শাসন ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই অঙ্গীকারের পরিষ্কার ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে প্রত্যেক নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্রীয় আচরণে ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও মানবিকতা সমানভাবে প্রকাশ পায়। 

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন