[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে পাশে থাকবে আইএলও, শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে আশ্বাস

প্রকাশঃ
অ+ অ-
আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবোর সঙ্গে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার মহাপরিচালক গিলবার্ট হোংবো বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে মিল রেখে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

৩৫৬তম গভর্নিং বডি সভায় অংশ নিতে জেনেভা সফরে থাকা শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এ আশ্বাস দেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং শ্রমসচিব আবদুর রহমান তরফদার উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের শুরুতে গিলবার্ট হোংবো শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করায় বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, দেশের মানুষের স্বার্থে এই গণতান্ত্রিক পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আইএলও মহাপরিচালককে শুভেচ্ছা জানান শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ ও নারীর জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এ ক্ষেত্রে আইএলওর সহযোগিতা, বিশেষ করে ঢাকার কার্যালয়ের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তিনি।

আরিফুল হকের বক্তব্যের সঙ্গে একমত হন গিলবার্ট হোংবো এবং বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চলমান আর্টিকেল ২৬ মামলা নিষ্পত্তির বিষয়ে আইএলও মহাপরিচালকের সহযোগিতা চান শ্রমমন্ত্রী।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের কূটনৈতিক তৎপরতার প্রশংসা করেন গিলবার্ট হোংবো। তিনি বলেন, মিশন বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ, গভর্নিং বডিতে নেতৃত্ব, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমন্বয় এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। এর ফলে চলমান মামলায় বাংলাদেশ ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, শ্রমক্ষেত্রে উন্নয়ন এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা গুরুত্বপূর্ণ।

শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমমান অনুযায়ী অধিকার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, বহুজাতিক কোম্পানি ও বিপণন প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি আগামী জুনে আইএলও মহাপরিচালকের বাংলাদেশ সফরের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান।

প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও শ্রম অধিকার রক্ষায় কাজ করছে। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শ্রম অধিকার প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বৈঠকে জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবদুস সামাদ আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন