[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

রংপুরে মা ও ১৬ মাসের শিশুর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশঃ
অ+ অ-
লাশ | প্রতীকী ছবি

১৬ মাস আগে এক ছেলেসন্তানের জন্ম দেন মা। সন্তান জন্মের পর থেকেই তাঁর মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। নিজ ঘর থেকে ওই মায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর বিছানায় পড়ে ছিল শিশুটির নিথর দেহ, যাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার বিকেলে রংপুর নগরের সাজাপুরে এই ঘটনা ঘটে। মৃত দুজন হলেন সূচনা ঘোষ (৪০) ও তাঁর ১৬ মাসের ছেলে জয়দেব ঘোষ।

মৃত সূচনার স্বামী শংকর ঘোষ (৪৫) একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী ও মুদিদোকানি। এই দম্পতির দুই মেয়ে ও এক ছেলে। বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। মেজো মেয়ে পুষ্পিতা ঘোষ (১২) ও ছোট ছেলে জয়দেবকে নিয়ে তাঁরা থাকতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে জয়দেব তার দাদি গীতা রানীর কাছে ছিল। দুপুরে ঘুম পাড়ানোর কথা বলে ছেলেকে ঘরে নিয়ে আসেন সূচনা। মেয়ে পুষ্পিতা তখন বাড়ির বাইরে ছিল। পরে ঘর থেকে সূচনার ঝুলন্ত মরদেহ ও বিছানা থেকে শিশু জয়দেবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

দাদি গীতা রানী বলেন, ‘বাচ্চাটা হওয়ার কিছুদিন পর থেকেই সূচনার মাথায় সমস্যা দেখা দেয়। সে ওষুধ খেতে চাইত না, ঠিকমতো ঘুমাতও না। ওষুধ মুখে নিয়ে জিবের নিচে লুকিয়ে রেখে বলত খেয়েছে। ঠিকমতো গোসলও করত না। শনিবার দুপুরে ঘুম পাড়ানোর কথা বলে বাচ্চাকে আমার কাছ থেকে নিয়ে গেল। পরে শুনি ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। আমার নাতি দরজা খুলে দেখে বাচ্চাটা বিছানায় মরে পড়ে আছে আর বউ গলায় ফাঁস দিয়েছে।’

রোববার দুপুরে সাজাপুরে সূচনার বাবা নিখিল ঘোষের সঙ্গে কথা হয়। মেয়ের মৃত্যুর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিকেল চারটার দিকে আমরা খবর পেয়েছি। মেয়েটা আমার মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল।’

সূচনার স্বামী শংকর ঘোষ জানান, তাঁর স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তাঁর চিকিৎসাও করা হয়েছে, কিন্তু তিনি পুরোপুরি সুস্থ হননি।

রংপুর মহানগর পুলিশের তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে মা ও ছেলের মরদেহ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় তাজহাট থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন