[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

ট্রাইব্যুনালে জেরায় মীর আহমাদ বিন কাসেম, ‘আত্মগোপনে ছিলাম—এ কথা সত্য নয়’

প্রকাশঃ
অ+ অ-
মীর আহমাদ বিন কাসেম | ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরার মুখে সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) বলেছেন, ‘আমি আত্মগোপনে ছিলাম—এ কথা সত্য নয়।’ জেরায় তিনি আরও বলেন, ‘কোনো আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা আমাকে গুম করেনি’—এ কথাও সত্য নয়।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদের সেলে (টিএফআই) গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় মীর আহমাদ বিন কাসেমকে জেরা করা হয়। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ তাঁকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল গনি। এই মামলায় বর্তমান ও সাবেক ১২ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট আসামি ১৭ জন।

এই মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে গত ২১ জানুয়ারি জবানবন্দি দেন মীর আহমাদ বিন কাসেম। এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য ব্যস্ততার কারণে তিনি ট্রাইব্যুনালে আসতে পারেননি। ফলে দীর্ঘ বিরতির পর রোববার তাঁকে প্রথম দিনের মতো জেরা করা হয়। আগামী মঙ্গলবার তাঁকে দ্বিতীয় দিনের মতো জেরার দিন ঠিক করা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন নিয়ে মীর আহমাদ বিন কাসেম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর বাবা মীর কাসেম আলী জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।

জিজ্ঞাসাবাদ সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় করা এই মামলার ১৭ আসামির মধ্যে ১০ জন ঢাকা সেনানিবাসের বিশেষ কারাগারে (সাবজেল) আছেন। তাঁরা হলেন—ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম ও কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান, সাইফুল ইসলাম ও মো. সারোয়ার বিন কাশেম। রোববার তাঁদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এ মামলার অপর সাত আসামি পলাতক। তাঁরা হলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর তৎকালীন প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ (পরে পুলিশ প্রধান হন), এম খুরশীদ হোসেন ও মো. হারুন অর রশিদ এবং লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন