[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

জামায়াতের প্রার্থীর প্রচারে বিএনপি নেতা–কর্মীদের হামলার অভিযোগ

প্রকাশঃ
অ+ অ-
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বরিশাল–৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বারের প্রধান নির্বাচনী প্রতিনিধি সৈয়দ গুলজার আলম। মঙ্গলবার বিকেলে বরিশাল প্রেসক্লাবে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

বরিশাল–৪ (মেহেন্দীগঞ্জ ও হিজলা) আসনে বিএনপির প্রার্থীর নেতা–কর্মীদের হামলার অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকরা। সোমবার সন্ধ্যায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়। মঙ্গলবার বিকেলে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জামায়াতের প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী প্রতিনিধি সৈয়দ গুলজার আলম সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান।

বরিশাল–৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার, যিনি বরিশাল জেলা জামায়াতের আমির। বিএনপির প্রার্থী রাজিব আহসান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ গুলজার আলম বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিন সোমবার সন্ধ্যায় মেহেন্দীগঞ্জের কাজিরহাট থানার আন্দারমানিক ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কলকুঠি মাদ্রাসা এলাকায় জামায়াতের প্রচার চলছিল। জামায়াতের ইউনিয়ন সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে চলা প্রচারকাজে বিএনপির নেতা–কর্মীরা বাধা দেন। প্রতিবাদ করলে পাশের বিএনপি অফিস থেকে লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় নেতৃত্ব দেন মোফাজ্জেল দেওয়ান, মোহাম্মদ আলী, আয়নাল মাঝি, আনোয়ার হাওলাদারসহ আরও ২৫–৩০ জন।

হামলাকারীরা জামায়াতের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে থাকা ১২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে খালে ফেলে দেন এবং একটি মোটরসাইকেল নিয়ে যান। লাঠির আঘাতে কয়েকজনের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে, একজনের পা ভেঙে যায়। আহতরা আশ্রয় নেয় পাশের একটি চায়ের দোকানে, সেখানে ও হামলা চালানো হয়। পরে জামায়াতের নেতা–কর্মীরা সেনাবাহিনীকে ফোন করলে সেনাসদস্যরা এসে তাঁদের উদ্ধার করেন। আহতদের মধ্যে দুজনকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পাঁচজনকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সৈয়দ গুলজার আলম আরও অভিযোগ করেন, এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের ১৫–২০ কর্মী জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। সে ঘটনায় কাজিরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। উল্টো ধানের শীষের নেতা–কর্মীরা তাঁদের সমর্থকদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের নেতারা এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নির্বাচনী মিডিয়া কমিটির সমন্বয়ক মুজাহিদুল ইসলাম ইউসুফ ও সদস্য সালেহ উদ্দিন।

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা গেলে, অন্য একজন বলেন, তিনি একটি কর্মী সভায় ব্যস্ত, পরে যোগাযোগ করার কথা বলা হয়।

কাজিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নবিউল হাসান বলেন, ‘আন্দারমানিক ইউনিয়নে সোমবার সন্ধ্যায় জামায়াত ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের নেতা–কর্মীরা আহত হয়েছেন। দুই পক্ষই পৃথক মামলা করেছে। আমরা ঘটনার তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।’

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন