রায়পুরার সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা
![]() |
| লাশ | প্রতীকী ছবি |
নরসিংদীর রায়পুরার এক সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের ধরাভাঙ্গার এমপি টিলা এলাকায় নদী থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত ব্যক্তির নাম আমির হোসেন (৪৫)। তিনি রায়পুরার বাঁশগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে। কারা বা কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে স্বজনদের ধারণা, চরাঞ্চল বাঁশগাড়ীতে আধিপত্য বিস্তার বা পূর্বশত্রুতার জেরে তাঁকে হত্যা করা হতে পারে।
সলিমগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) সুনীল চন্দ্র সূত্রধর বলেন, নিহতের মাথায় চারটি কোপের এবং দুই পায়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
নিহত আমির হোসেনের স্বজনেরা জানান, বুধবার রাতে বাঁশগাড়ী থেকে নৌকায় করে পাশের চরমধুয়ায় পৈতৃক বাড়িতে যাচ্ছিলেন তিনি। পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁকে নিজ নৌকা থেকে অন্য একটি নৌকায় তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাঁকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে দেয়। বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের সলিমগঞ্জের ধরাভাঙ্গা এলাকায় লাশটি ভাসতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। তাঁরা লাশটি টেনে পাড়ে তুলে আনেন এবং পুলিশে খবর দেন। নবীনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
আমির হোসেনের বড় ভাই বকুল মিয়া বলেন, ‘কারা এভাবে তাঁকে হত্যা করল, তা বুঝতে পারছি না। শুনেছি, রাতে চরমধুয়া যাওয়ার পথে নৌকা থেকে তুলে নিয়ে তাঁকে মারা হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে নদীতেই হত্যার পর লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছিল, যা ভেসে নবীনগর সীমান্তে চলে আসে। নিহতের পরিচিত কয়েকজন থানায় এসে লাশ শনাক্ত করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

Comments
Comments