রংপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর মাটি চাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার
![]() |
| রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার মঞ্জরুল হোসেনের গলা কাটা লাশ উদ্ধারের পর স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের আহাজারি | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন |
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় তিন দিন ধরে নিখোঁজ থাকা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে কুর্শা ইউনিয়নের ঝাকুয়াপাড়া পীরগঞ্জ মাজার-সংলগ্ন এলাকায় মাটির নিচে চাপা অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
নিহত ব্যক্তির নাম মঞ্জুরুল হোসেন (৪৫)। তিনি কুর্শা ইউনিয়নের পশ্চিম অনন্তপুর গ্রামের ফরিদ উদ্দিনের ছেলে। মঞ্জুরুল পেশায় পল্লী বিদ্যুতের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিন দিন আগে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর মঞ্জুরুল হোসেন আর ফিরে আসেননি। আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পায়নি পরিবার। বুধবার স্থানীয়দের মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, পাশের ঝাকুয়াপাড়া এলাকার একটি তামাকখেতে রক্ত ও এক জোড়া জুতা পড়ে আছে। পরিবারের লোকজন সেখানে গিয়ে মঞ্জুরুলের জুতা শনাক্ত করেন এবং পুলিশে খবর দিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বৃহস্পতিবার সকালে আরও ২৫-৩০ জন গ্রামবাসী ঝাকুয়াপাড়ার মাঠে তল্লাশি চালাতে যান।
মঞ্জুরুলের ভাতিজা আখতারুজ্জামান বলেন, ‘চাচা তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। বুধবার সন্ধ্যায় তামাকখেতে রক্ত ও জুতা পাওয়ার খবরে আমরা এলাকায় এসে খোঁজাখুঁজি করি এবং পুলিশকে জানাই। বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচটি ভ্যানে করে আমাদের এলাকার লোকজন এই মাঠে আসি। দুপুরের দিকে একটি জমির মাটি খোঁড়া অবস্থায় দেখে সন্দেহ হয়। সেখানে মাটি সরাতেই চাচার মরদেহ পাওয়া যায়। তবে তাঁর মোটরসাইকেল ও মুঠোফোন পাওয়া যায়নি।’
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

Comments
Comments