[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

বান্দরবানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি, নিহত ১

প্রকাশঃ
অ+ অ-
বান্দরবানে অভিযানে উদ্ধার করা এসএমজি ও গুলিসহ নানা সরঞ্জাম | ছবি: সেনাবাহিনীর ফেসবুক পেজ থেকে

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে একটি পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে হ্লামংনু মার্মা নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি সাবমেশিনগান (এসএমজি), ম্যাগাজিন ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

সোমবার বিকেল চারটার দিকে বান্দরবান-রুমা সড়কের মুরুং বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এলাকাটি রোয়াংছড়ি উপজেলার তারাছা ইউনিয়নে হলেও রুমা উপজেলা সদরের কাছাকাছি।

নিরাপত্তা বাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোলাগুলির পর নিরাপত্তা বাহিনী তল্লাশি চালিয়ে জলপাই রঙের পোশাক পরা এক ব্যক্তিকে গুরুতর আহত অবস্থায় পায়। তাঁর কাছ থেকে ১টি এসএমজি, ২টি ম্যাগাজিন, ১৪৩টি গুলি ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বান্দরবান সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা দিলীপ চৌধুরী জানান, নিরাপত্তা বাহিনী একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, বিকেলে সড়কে গাড়ি থামিয়ে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি চাঁদাবাজি করছিল। বান্দরবান থেকে রুমার দিকে যাওয়ার পথে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল সেখানে পৌঁছালে সশস্ত্র ব্যক্তিরা প্রথমে গুলি চালায়। বাহিনী পাল্টা গুলি চালালে একজন আহত হন।

রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাবের আহমেদ বলেন, পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনায় আহত একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে রাত সোয়া ১১টার দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিকেল পাঁচটায় রোয়াংছড়ির মুরং বাজার এলাকায় জেএসএস (মূল) সশস্ত্র দলের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। সেনাসদস্যরা সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজি করতে দেখে তাঁদের শনাক্ত করেন। পালানোর চেষ্টাকালে জেএসএস সদস্যরা সেনাবাহিনীর ওপর গুলিবর্ষণ করে। সেনাবাহিনী পাল্টা গুলি চালিয়ে তাঁদের ধাওয়া করলে তাঁরা একটি স্কুলঘরে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

অভিযান শেষে ঘটনাস্থল থেকে ইউনিফর্ম পরিহিত হ্লামংনু মার্মা নামের ওই সশস্ত্র সদস্যকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ১টি সাবমেশিনগান, এসএমজির ১৪৩টি গুলি ও পিস্তলের ১৪টি গুলি।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন